শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়েই পারাপার হচ্ছে মানুষ

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ৯:০৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি-ভোরের আকাশ
ছবি-ভোরের আকাশ

পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া নদীর ওপর স্থানীয়দের উদ্যোগে নির্মিত বাঁশের সাঁকোটি এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। কয়েক বছর ধরে সংস্কার না হওয়ায় শ্রীরামপুর ও মুরাদিয়া ইউনিয়নের দুইপারের বাসিন্দাদের জন্য এটি যেন ‘মরণ ফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ২৭ নং পশ্চিম মুরাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন নদীর ওপর যাতায়াত সহজ করতে কয়েক বছর আগে তারা স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশ-কাঠ জোগাড় করে সাঁকোটি নির্মাণ করেন। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের নিরাপদে পারাপারের কথা ভেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত ৩-৪ বছরে কোনো সংস্কার না হওয়ায় সাঁকোটি প্রায় ভেঙে গেছে। প্রতিদিন শিশু শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঝর্ণা বেগম বলেন, সাঁকোটি দীর্ঘদিন ধরে মেরামত করা হয়নি। অনেক অংশ নরম হয়ে গেছে। দ্রুত সংস্কারের প্রয়োজন।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু হানিফ কালাম খান, আবুল জলিল হাওলাদার, মরিম হাওলাদার, সয়জদদি মৃধা ও জবান মৃধা বলেন, ‘সাঁকো মেরামতে খরচ বেশি। একা কারও পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। বাঁশ, গাছ আর গুনা কিনতে পারলে আমরা নিজেরাই শ্রম দিয়ে মেরামত করে নিতে পারতাম।’

মুরাদিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান বলেন, এটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট সীমিত। তবে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে খুব শিগ্রই সাঁকোটির জরুরি সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো

শেয়ার করুন: