শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যেসব খাবার কিডনিতে পাথর তৈরি করে

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস শরীরের সুস্থতা ও অসুস্থতা-দুটোর ওপরই বড় প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়া অনেকটাই নির্ভর করে আমরা কী খাচ্ছি তার ওপর। চিকিৎসকদের মতে, ক্যালসিয়াম অক্সালেট ধরনের পাথর তৈরিতে খাদ্যের অক্সালেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

পালং শাক, বিট,  বিভিন্ন ধরনের বাদাম,  চকোলেট,  চা এবং সয়া জাতীয় খাবারে অক্সালেটের পরিমাণ বেশি থাকে। এসব খাবার অতিরিক্ত খেলে শরীরে অক্সালেটের মাত্রা বেড়ে যায়, যা পরে মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়। মূত্রে অক্সালেট বেশি হলে তা ক্যালসিয়ামের সঙ্গে মিশে স্ফটিক তৈরি করে এবং ধীরে ধীরে পাথরে পরিণত হতে পারে।

তবে এসব খাবার সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই উত্তম।  বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, অক্সালেটযুক্ত খাবারের সঙ্গে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার একসঙ্গে খেলে অন্ত্রে অক্সালেটের শোষণ কমে যেতে পারে, ফলে পাথর তৈরির ঝুঁকিও কমে।

কিডনিতে পাথর প্রতিরোধে শুধু খাবারের ধরন নয়, পুরো খাদ্যাভ্যাসই গুরুত্বপূর্ণ।  প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা, সুষম ক্যালসিয়াম গ্রহণ এবং অতিরিক্ত লবণ ও প্রাণিজ প্রোটিন কম খাওয়া—এসব বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

এছাড়া ফলমূল ও শাকসবজির মতো ক্ষারধর্মী খাবার মূত্রের pH স্বাভাবিক রাখতে এবং সাইট্রেটের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, যা পাথর গঠন প্রতিরোধে সহায়ক। তাই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় এসব খাবার রাখা প্রয়োজন।

ওজন নিয়ন্ত্রণ ও শরীরের বিপাক প্রক্রিয়াও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কারণ স্থূলতা ও ইনসুলিন প্রতিরোধের সঙ্গে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকির সম্পর্ক রয়েছে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি পান এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমাতে পারে।

 

ভোরের আকাশ/সু.পা

কিডনিতে পাথর তৈরি করে

শেয়ার করুন: