যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণ
আ.লীগ নেতাসহ ৪ জন কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় করা মামলায় আওয়ামী লীগের এক নেতাসহ ৪ জনকে আদালতে হাজির করার পর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানির জন্য আগামী ২২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) দিন ধার্য করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম এই আদেশ দেন। মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে উপস্থিত না থাকায় সেদিন রিমান্ড শুনানি পিছিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন— রায়হান উদ্দিন (৩৫), রাসেল খান (৩২), আলাউদ্দিন (২৮) ও আবদুল্লাহ (২৮)। ডিবির দাবি, তারা সবাই কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের সক্রিয় সদস্য।
রোববার তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একইসঙ্গে রিমান্ড শুনানির জন্য আগামী মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।
যাত্রাবাড়ী থানার সামনে গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে এক অটোরিকশাচালক আহত হন। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, আশপাশে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও দেখে একজনকে শনাক্ত করার পর শনিবার বংশাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা রায়হানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওইদিন রাত সোয়া ১২টার দিকে লালবাগের জেন সাহা রোডের একটি দশ ভবনের নিচতলার পার্কিংয়ে ইটের খোয়ার বস্তার মধ্যে লাল টেপ মোড়ানো চারটি ককটেল উদ্ধার করা হয়। ডিএমপির বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে।
রায়হানকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডেমরার ডগাইর এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় রাসেল, আলাউদ্দিন ও আব্দুল্লাহকে।
ওই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানার এসআই জুয়েল রানা বিস্ফোরক আইনে শনিবার মামলা করেন।
ভোরের আকাশ/আ.র