শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রাবি শিক্ষক-ছাত্রীকে জিম্মি করে চাঁদাবাজি!

বাঁধন শাহ

প্রকাশ : ২০ মে ২০২৫, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাবি শিক্ষক-ছাত্রীকে জিম্মি করে চাঁদাবাজি!
রাবি শিক্ষক-ছাত্রীকে জিম্মি করে চাঁদাবাজি!

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষক হেদায়েত উল্লাহ এবং একই বিভাগের এক ছাত্রীকে জিম্মি করে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে চার ছাত্রের বিরুদ্ধে। এছাড়া ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে রাজশাহীর মতিহার থানায় গত শুক্রবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই ছাত্রী। এদিন সংবাদ সম্মেলন করে একই অভিযোগ করেছেন শিক্ষক হেদায়েত উল্লাহ। অভিযুক্তরা হলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব, সুমন, আতাউল্লাহ ও সাজ্জাদ হোসেন সজিব। 

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ মে বিকাল ৫টার দিকে তিনি শিক্ষক হেদায়েত উল্লাহর চেম্বারে পড়াশোনা করছিলেন। এ সময় অভিযুক্তরা সেখানে গিয়ে তাদের (শিক্ষক-ছাত্রী) গালাগাল ও ভিডিও ধারণ করে।

এ সময় তাকে শারীরিক ও মানসিক হেনস্তা করা হয়। তাকে ধর্ষণেরও হুমকি দেওয়া হয়। অভিযুক্তরা হেদায়েত উল্লাহর কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এক লাখ টাকা হেদায়েত উল্লাহ ব্যাংকের বুথ থেকে তুলে সুমনের হাতে দেন। আরও ৪ লাখ টাকা দিলে ওই ভিডিও তাদের মোবাইল ফোন থেকে ডিলিট করা হবে বলে জানানো হয়। 

আরও দুই লাখ টাকা ১২ মে দুপুরে সাকিব ও সুমনকে দেন শিক্ষক হেদায়েত উল্লাহ। বাকি দুই লাখ টাকা ১৮ মে দেওয়ার কথা। এর আগেই ১৪ মে অভিযুক্তরা ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন। অভিযুক্তরা প্রাণনাশেরও হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। 

গত শুক্রবার থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন ওই ছাত্রী। এদিন সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে একই অভিযোগ করেন শিক্ষক হেদায়েত উল্লাহ। ওই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পরে ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন করে চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করেন অভিযুক্ত ছাত্ররা।

তারা বলেন, অনৈতিক একটি ঘটনার প্রতিবাদ এবং বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানোই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। তবে সাকিবের সঙ্গে হেদায়েত উল্লাহর কথোপকথনের একটি রেকর্ড এই প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। এতে শিক্ষক হেদায়েত উল্লাহর সঙ্গে সাকিব দেখা করতে চেয়েছেন। তখন হেদায়েত উল্লাহ চারজনকে (অভিযুক্ত) একসঙ্গে আসতে বলেছেন।

জবাবে সাকিব বলেন, বাকি দুইজনের দায়িত্ব আমার। আমরা শেষে রুমে যে দুইজন ছিলাম, আমাদের কথাই ফাইনাল। আমরা একসঙ্গে চারজন মুভ করতে চাচ্ছি না।

এ বিষয়ে সোমবার মতিহার থানার ওসি আব্দুল মালেকের সঙ্গে কথা হয় দৈনিক ভোরের আকাশ’। তিনি বলেন, ওই ছাত্রীর জিডি আমরা তদন্ত করছি। এটা মামলায় টার্ন নিতে পারে।

ভোরের আকাশ/জাআ

শেয়ার করুন: