শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রিজার্ভ নিয়ে বড় সুখবর দিলেন গভর্নর

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

দেশের অর্থনীতিতে বইছে স্বস্তির হাওয়া। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ১৬ দিনেই দেশে এসেছে ১৮০ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে) প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার সমান। রেমিট্যান্সের এই শক্তিশালী প্রবাহের ওপর ভর করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.৫৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রেমিট্যান্স ও রিজার্ভের এই হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, গত বছরের এই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪৯ কোটি ডলার। সেই তুলনায় এবার রেমিট্যান্স প্রবাহে ব্যাপক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শুধু ১৬ ফেব্রুয়ারি একদিনেই দেশে এসেছে ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। 

প্রবাসীদের এই ব্যাপক সাড়ায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার উদ্বৃত্ত থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়মিত ডলার কিনছে, যার ফলে রিজার্ভের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে ৩.২৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা ছিল দেশের ইতিহাসে একক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে ৩.২৯ বিলিয়ন ডলার আসার রেকর্ডটি এখনো পর্যন্ত দেশের ইতিহাসে একক মাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ হিসেবে স্বীকৃত।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, নতুন সরকারের প্রতি প্রবাসীদের আস্থা বৃদ্ধি এবং ডলারের ন্যায্য মূল্য পাওয়ায় বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসার হার বেড়েছে। এভাবে প্রবাহ অব্যাহত থাকলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সংকট দ্রুতই কেটে যাবে।

ভোরের আকাশ/তা.কা

 

প্রবাসী আয়বৈদেশিক মুদ্রাবাংলাদেশ ব্যাংকরিজার্ভরেমিট্যান্স

শেয়ার করুন: