শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৩৫ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

জ্বালানি খাতে স্থিতিশীলতা আনতে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৩৫০ মিলিয়ন ডলার বা ৩৫ কোটি ডলারের অতিরিক্ত অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক।

অর্থায়নের মূল লক্ষ্য হলো—তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিকে আরও সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য এবং পরিকল্পিত করা, যেন বিদ্যুৎ ও শিল্প উৎপাদন নির্বিঘ্ন থাকে। সোমবার (১৮ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

গত ১৫ মে অনুমোদিত এ অর্থায়ন ‘এনার্জি সেক্টর সিকিউরিটি এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট’-এর অংশ। বাংলাদেশের জন্য মূল ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের ‘এনার্জি সিকিউরিটি এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট’ বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালনা পর্ষদ ২০২৫ সালের ১৮ জুন অনুমোদন করে। প্রকল্পটি ২০৩১ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, যার ফলে এলএনজির দাম বেড়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এতে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সরকারি ব্যয়ের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি বড় অংশের জন্য আমদানি করা এলএনজির ওপর নির্ভরশীল। তাই আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা সরাসরি দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে প্রভাব ফেলে।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংকের নতুন অর্থায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলাকে সহায়তা দেওয়া হবে, যেন তারা দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে এলএনজি কিনতে পারে। এতে স্পট মার্কেটের উচ্চ দামের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং জ্বালানি সরবরাহ আরও স্থিতিশীল হবে।

এছাড়া, এ অর্থায়নের আওতায় আইডিএ-সমর্থিত গ্যারান্টি সুবিধা ব্যবহার করে এলএনজি আমদানির জন্য ব্যাংক গ্যারান্টি ও স্বল্পমেয়াদি ক্রেডিট লাইন নিশ্চিত করা হবে। এর ফলে জ্বালানি আমদানির পেমেন্ট ব্যবস্থা আরও নিরাপদ ও পূর্বানুমানযোগ্য হবে।

বিশ্বব্যাংক বলছে, এ উদ্যোগ শুধু জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল করবে না, বরং বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখার মাধ্যমে শিল্প খাতকে সচল রাখবে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতেও সহায়তা করবে। একই সঙ্গে বেশি দামের জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমে সরকারি ব্যয়ও কিছুটা হ্রাস পাবে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেজমে বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার মধ্যে বাংলাদেশের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সহায়তা দেশের অর্থনীতি ও জনগণকে জ্বালানি সংকটের নেতিবাচক প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে।

আরও পড়ুন

রেকর্ড গড়ে জিততে হবে পাকিস্তানকে

বিশ্বব্যাংকের জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এলএনজি তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী ও কম দূষণকারী জ্বালানি হওয়ায় এর স্থিতিশীল সরবরাহ বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার ভিত্তি শক্ত করবে।

সব মিলিয়ে, এই ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/এনএস

জ্বালানি সংকটবিশ্বব্যাংকবাংলাদেশ

শেয়ার করুন: