শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

রেশনিং উঠলেও জ্বালানি সংকট কাটেনি, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ মার্চ ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার চারদিন পেরিয়ে গেলেও দেশে জ্বালানি তেলের সংকট এখনো পুরোপুরি কাটেনি। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের পেট্রোল পাম্পে তেল না পাওয়া এবং দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষার চিত্র এখনও চোখে পড়ছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) কিছু পাম্পে সরবরাহ আগের তুলনায় বাড়লেও সামগ্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। কোথাও তেলের সম্পূর্ণ অভাব, আবার কোথাও সীমিত সরবরাহের কারণে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও বাসের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। ঈদের ছুটিতে যানবাহনের চাপ কিছুটা কমলেও যেসব পাম্পে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে ভিড় কমেনি।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একই চিত্র দেখা গেছে। শেওড়াপাড়ার দু’টি পাম্প এবং তালতলা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি পাম্প বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে শেরাটন হোটেলের বিপরীত পাশের পাম্প খোলা থাকলেও সেখানে দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে।

হাজিপাড়া পেট্রোল পাম্পের এক কর্মচারী জানান, “আমাদের চাহিদা ৯ হাজার লিটার হলেও সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৪ হাজার লিটার। তেল আসার কিছুক্ষণের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। এ অবস্থায় পাম্প চালু রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।”

পাম্প মালিকদের অভিযোগ, রেশনিং তুলে নেওয়ার ঘোষণা বাস্তবে পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। বিশেষ করে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানির বিরুদ্ধে চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম সরবরাহ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে দ্রুত তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে এবং অনেক পাম্প বাধ্য হয়ে বিক্রি বন্ধ রাখছে।

পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কো-কনভেনর মিজানুর রহমান রতন বলেন, “কাগজে-কলমে রেশনিং তুলে নেওয়া হলেও বাস্তবে সরবরাহ এখনো সীমিত। এতে সাধারণ মানুষ ও পাম্প মালিক—উভয়ই ভোগান্তিতে পড়েছেন।”

ডিলারদের মতে, ডিপো পর্যায়ে সরবরাহ না বাড়ানোয় সংকট কাটছে না। অনেকেই অভিযোগ করছেন, এখনও আগের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমিত পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, যা মাঠপর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে।

অন্যদিকে পাম্প মালিকদের আরেক অংশের সভাপতি নাজমুল হক জানান, দীর্ঘদিন রেশনিং চালু থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থার ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। হঠাৎ করে তা স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সব মিলিয়ে, সরবরাহ বাড়ানোর আশ্বাস থাকলেও বাস্তবে জনভোগান্তি এখনো কমেনি। সামনে ঈদযাত্রা থাকায় জ্বালানি সংকট পুরোপুরি নিরসন না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/এনএস

জ্বালানি সঙ্কট

শেয়ার করুন: