শিরোনাম
হিমালয়ে বড় দুর্যোগের শঙ্কা, ঝুঁকিতে ৩ লাখের বেশি মানুষ২০২৪ সালে তীব্র গরমে সময়ের আগে জন্মেছে ৫৫১৫ শিশুবিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতনঢাকার সুইডেন দূতাবাসে শেনজেন ভিসার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণাজলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে চলতি মাসেই তুরস্কে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীঅটোগ্যাসের দামও বাড়লো, রাতেই কার্যকরশ্রমিকদের আন্দোলনে পরাজিত শক্তির উসকানি রয়েছে: রিজভী২ বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: এখনও সৌদির জবাবের অপেক্ষায় ঢাকাহিমালয়ে বড় দুর্যোগের শঙ্কা, ঝুঁকিতে ৩ লাখের বেশি মানুষ২০২৪ সালে তীব্র গরমে সময়ের আগে জন্মেছে ৫৫১৫ শিশুবিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতনঢাকার সুইডেন দূতাবাসে শেনজেন ভিসার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণাজলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে চলতি মাসেই তুরস্কে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীঅটোগ্যাসের দামও বাড়লো, রাতেই কার্যকরশ্রমিকদের আন্দোলনে পরাজিত শক্তির উসকানি রয়েছে: রিজভী২ বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: এখনও সৌদির জবাবের অপেক্ষায় ঢাকা

হিমালয়ে বড় দুর্যোগের শঙ্কা, ঝুঁকিতে ৩ লাখের বেশি মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৩১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

হিমালয় অঞ্চলে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে রয়েছেন তিন লাখেরও বেশি মানুষ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হিমবাহ গলে যাওয়া, হ্রদের পানি বেড়ে যাওয়া এবং অপরিকল্পিত নির্মাণকাজের কারণে এসব এলাকায় দুর্যোগের আশঙ্কা বাড়ছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, উত্তর নেপাল, দক্ষিণ-পূর্ব তিব্বত এবং ভারতের উত্তরাখণ্ডের কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত বাড়ছে নির্মাণকাজ। ২০১৬ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এসব এলাকায় ভবন ও অন্যান্য অবকাঠামোয় আচ্ছাদিত জমির পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৪৫ শতাংশ। আর হিমবাহ-সৃষ্ট হ্রদের পানি উপচে বন্যার ঝুঁকি রয়েছে, এমন এলাকায় নির্মাণ বেড়েছে প্রায় ৭৮ শতাংশ।

বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ‘সায়েন্টিফিক রিপোর্টস’-এ প্রকাশিত গবেষণাটি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনার পর প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকদের ধারণা, বাস্তবে ঝুঁকিতে থাকা মানুষের সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে। কারণ, গবেষণায় হিমালয়ের একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে; আশপাশের একই ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

গবেষণায় ব্রিটেন, নেপাল ও ভারতের নয়জন বিজ্ঞানী হিমালয়ের নদীগুলোর দুই পাশের ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকা এবং প্রায় এক হাজার ৩৬০টি হিমবাহ-সৃষ্ট হ্রদের আশপাশের অঞ্চল বিশ্লেষণ করেন। এতে পর্যটন অবকাঠামো, আবাসন, সড়ক ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্রুত সম্প্রসারণের চিত্র উঠে এসেছে।

পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহরটির বিস্তার ঘটেছে। কিন্তু শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সেতি গণ্ডকি নদীর তীরে গড়ে ওঠা পুরনো ভবনগুলো এখন বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। পোখরার মেয়র ধনরাজ আচার্য জানান, কিছু ভবন নদী থেকে মাত্র পাঁচ মিটার দূরে অবস্থিত।

নতুন নিয়মে নদী থেকে আরো দূরে ভবন নির্মাণের কথা থাকলেও পুরনো স্থাপনাগুলো কোথায় সরানো হবে, সেটিই বড় চ্যালেঞ্জ। পোখরার উত্তরে অন্নপূর্ণা ট্রেকিং এলাকাতেও নদীর তীরে বসতি ও পর্যটন স্থাপনা বেড়েছে।

আরও পড়ুন

২০২৪ সালে তীব্র গরমে সময়ের আগে জন্মেছে ৫৫১৫ শিশু

সাম্প্রতিক বন্যা ও ভূমিধসে এসব এলাকার কয়েকটি বসতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় হোমস্টে ব্যবসায়ী ফুরপা শিরিং লামা জানান, সাধারণত মৌসুমে তার ২০টি কক্ষ পর্যটকে পূর্ণ থাকলেও এবার অতিথি রয়েছেন মাত্র পাঁচটি কক্ষে। তার ভাষায়, ৪০ বছরের ব্যবসায়িক জীবনে এমন দুর্যোগ আগে দেখেননি।

গবেষণার প্রধান লেখক ও লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের হিমবাহ বিশেষজ্ঞ সি স্কট ওয়াটসন বলেন, নদী উপত্যকায় জনসংখ্যা বাড়ছে। বর্তমানে উন্নয়ন নিয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত আগামী কয়েক দশক ধরে এসব অঞ্চলের দুর্যোগঝুঁকিকে প্রভাবিত করবে।

ভোরের আকাশ/এম
 

দুর্যোগের শঙ্কা

শেয়ার করুন: