জার্মান চ্যান্সেলরের সফরের মাঝেই ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলা

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেৎসের কিয়েভ সফরের মধ্যেই ইউক্রেনের রাজধানীতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ একটি সেতুও।
রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো পিভনিচনি সেতুতে হামলা চালানো হয়। গত চার দিন ধরে কিয়েভের প্রধান সেতুগুলো লক্ষ্য করে রুশ বাহিনী ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে।
রুশ হামলার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন জানাতে আকস্মিক সফরে রোববার কিয়েভে অবস্থান করছিলেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেৎস। হামলার সময় তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করছিলেন।
পরে মেৎস ও জেলেনস্কি যুদ্ধে নিহত ইউক্রেনীয় সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি সমাধিস্থলে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
সফর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মেৎস লেখেন, ইউক্রেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সপ্তাহ পার করছে। এ কারণেই আমি আজ এই বার্তা নিয়ে কিয়েভে এসেছি, আপনারা আমাদের ওপর ভরসা রাখতে পারেন।
হামলার পর রুশ সামরিক বাহিনী জানায়, কিয়েভসহ ইউক্রেনের অন্যান্য অঞ্চলে হামলা আরও তীব্র করা হবে। এর আগে ইউক্রেনীয় সেনাদের ব্যবহৃত দুটি সেতুতে হামলা চালানোর কথা স্বীকার করেছিল রাশিয়া।
রোববারের হামলার কিছু ভিডিও যাচাই করেছে বিবিসি। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ড্রোন সেতুর ওপর আছড়ে পড়ে বিস্ফোরিত হচ্ছে। এরপর সেতু থেকে কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও ও ছবিতেও সেতুর সড়কের মাঝখানে বড় একটি গর্ত দেখা গেছে। বোমা বিস্ফোরণের ফলে গর্তটি তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, দনিপ্রো শহরের একটি যোগাযোগকেন্দ্রেও হামলা হয়েছে। এতে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, শনিবার রাতে রাশিয়া ৫২টি জেটচালিত ড্রোনসহ মোট ১৩৫টি ড্রোন পাঠিয়েছে। এর মধ্যে ১২৫টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছেন ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা। সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান
ভোরের আকাশ/এম