শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

জাতিসংঘে যোগদানের কোনো ‘অধিকার’ নেই তাইওয়ানের: চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ জুলাই ২০২৫, ২:০০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
জাতিসংঘে যোগদানের কোনো ‘অধিকার’ নেই তাইওয়ানের: চীন
জাতিসংঘে যোগদানের কোনো ‘অধিকার’ নেই তাইওয়ানের: চীন

জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সদস্যপদ পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কোনো ভিত্তি, কারণ বা অধিকার তাইওয়ানের নেই বলে জানিয়েছে চীন। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বেইজিংয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং এ মন্তব্য করেন।

মাও বলেন, “বিশ্বে চীন নামে একটিই রাষ্ট্র রয়েছে এবং তাইওয়ান চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই জাতিসংঘ কিংবা অন্য কোনো আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংগঠনে যোগদানের জন্য তাইওয়ানের আলাদা কোনো অবস্থান নেই।”

এই মন্তব্যের পেছনে প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসে পাস হওয়া ‘তাইওয়ান নন-ডিসক্রিমিনেশন অ্যাক্ট’ নামের একটি আইন, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে জাতিসংঘ, আইএমএফ, বিশ্বব্যাংকসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সদস্য করার সুপারিশ করতে পারবে।

চীন এই পদক্ষেপকে তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে। এ নিয়ে কঠোর অবস্থান জানিয়ে মাও নিং বলেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানাই যেন তারা এক চীন নীতি, আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নীতিগুলো মেনে চলে। দয়া করে তাইওয়ান ইস্যুকে কেন্দ্র করে চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সহায়তা বন্ধ করুন।”

তাইওয়ান ইস্যুতে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে টানাপড়েন চলে আসছে। ১৯৪৯ সালে চীনে কমিউনিস্ট বিপ্লবের পর থেকে তাইওয়ান মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একটি স্বশাসিত দ্বীপ হিসেবে নিজেদের পরিচালনা করে আসছে। যদিও বেইজিং এখনো দ্বীপটিকে নিজ দেশের অংশ হিসেবেই বিবেচনা করে।

১৯৭৯ সালে চীনের চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। তবে একই বছর মার্কিন কংগ্রেসে পাস হয় ‘তাইওয়ান রিলেশন অ্যাক্ট’, যার আওতায় তাইওয়ানকে নিয়মিতভাবে অস্ত্র এবং অর্থ সহায়তা দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।

চীন তাইওয়ানকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিটি প্রচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের যেকোনো পদক্ষেপের কড়া জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: