শিরোনাম
নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসিইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবনভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসিইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব

মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে হাত মেলাননি গালিবাফ-আরাঘচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ জুন ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টকে বহু প্রতীক্ষিত যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনা শুরুর আগেই দৃশ্যমান হয়ে উঠল দুই দেশের গভীর অবিশ্বাস। বৈঠকের আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে নির্ধারিত করমর্দন ও যৌথ আলোকচিত্রে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইরান-এর প্রতিনিধিদল।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এক অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আলোচনার সূচনালগ্নে দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি যৌথ ছবি ও করমর্দনের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে ইরানি প্রতিনিধিদলের প্রধান এ পরিকল্পনার বিরোধিতা করেন।

ফলে প্রত্যাশিত কূটনৈতিক সৌজন্যের সেই মুহূর্ত আর বাস্তবায়িত হয়নি। ইরানের অনুপস্থিতিতেই সরাসরি সম্প্রচার ও আলোকচিত্র পর্ব সম্পন্ন হয়। গণমাধ্যমের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরই ইরানি প্রতিনিধিরা বৈঠকস্থলে প্রবেশ করেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচনার মূল পর্ব শুরু হওয়ার আগে সাংবাদিকদের কক্ষ ত্যাগের সুযোগ দিতে প্রায় পাঁচ মিনিট সময় চেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র-এর প্রতিনিধিদল। কূটনীতিতে করমর্দন কিংবা যৌথ আলোকচিত্রকে প্রায়ই রাজনৈতিক বার্তা ও পারস্পরিক সদিচ্ছার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।

আরও পড়ুন

লেবাননে লড়াইয়ে সেনারা প্রস্তুত: ইসরায়েলি সেনাপ্রধান

সেই প্রেক্ষাপটে ইরানের এই সিদ্ধান্ত আলোচনার টেবিলে বসার আগেই একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, সংলাপ শুরু হলেও দুই পক্ষের মধ্যে আস্থার ব্যবধান এখনো যথেষ্ট গভীর।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, এমন প্রতীকী অস্বস্তি সত্ত্বেও আলোচনায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তই ইঙ্গিত করছে যে উভয় পক্ষ অন্তত কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ খোলা রাখতে আগ্রহী। ফলে করমর্দন না হলেও, নজর এখন আলোচনার ফলাফলের দিকে। সূত্র: আলজাজিরা

ভোরের আকাশ/এম

গালিবাফ-আরাঘচি

শেয়ার করুন: