শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ খাদ্য সংকটের আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ মে ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরান-ইসরাইল ও মার্কিন যুদ্ধের জেরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে রাসায়নিক সারের সরবরাহ মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সারের আন্তর্জাতিক চালান প্রায় পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

সামরিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এর ফলে বিশ্ববাজারে সারের আকাশচুম্বী দাম এবং তীব্র ঘাটতি দেখা দেবে, যা পরবর্তী সময়ে বিশ্বজুড়ে ফসলের উৎপাদন প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে। এই উৎপাদন ঘাটতি খুব দ্রুতই কৃষিপণ্যের মূল্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।

রাষ্ট্রসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো টোরেও আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে। কারণ সারের এই তীব্র সংকট আমাদের সরাসরি বিভিন্ন দেশের ফসল রোপণের নির্দিষ্ট সময়ের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে। এরই মধ্যে এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশে ফসল বোনার উপযুক্ত সময় পার হয়ে গেছে। সারের ঘাটতির কারণে তারা আর সময়মতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারছে না।

পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে তিনি জানান, বর্তমান বাস্তবতায় বিশ্বের প্রধান খাদ্যশস্য রপ্তানিকারক দেশগুলো—যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাজিল—তাদের চাষাবাদের ধরন বদলে ফেলতে পারে। সারের অভাব মেটাতে তারা গম ও ভুট্টার মতো শস্যের চাষ কমিয়ে দিয়ে সয়াবিনের মতো ফসলের দিকে ঝুঁকতে পারে, যা প্রাকৃতিকভাবে মাটিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখতে সাহায্য করে।

এছাড়া বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে অনেক কৃষক তাদের উৎপাদিত ফসল খাদ্য হিসেবে ব্যবহার না করে জৈব জ্বালানি বা বায়োফুয়েল উৎপাদনে ব্যবহার করতে পারেন।

আরও পড়ুন

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় দুই মাসে নিহত ২৬৫৯

অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো টোরেও আরও সতর্ক করে বলেন, এরই মধ্যে বিশ্ববাজারে গম ও সয়াবিনের দাম বাড়তে শুরু করেছে। চলতি বছরের শেষার্ধে এই দাম বৃদ্ধির প্রবণতা আরও স্পষ্ট হবে এবং আগামী বছর নাগাদ কৃষিপণ্যের দাম এক লাফে অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে।

শুধু খাদ্যশস্যের দামই নয়, এর সাথে জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য যুক্ত হয়ে বিশ্বজুড়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতিকে এক বিপজ্জনক পর্যায়ে নিয়ে যাবে। যতদিন এই সংকটের সমাধান না হবে, সময়ের সাথে সাথে খাদ্য সংকটের এই ঝুঁকি আরও ঘনীভূত ও তীব্রতর হবে।

ভোরের আকাশ/নি

খাদ্য সংকট

শেয়ার করুন: