শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় দুই মাসে নিহত ২৬৫৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২ মে ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

গত কয়েক মাস ধরে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমেই অস্থির হয়ে উঠেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে লেবানন-এ। 

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে ২ মে পর্যন্ত মাত্র দুই মাসের সময়কালে ইসরায়েলি হামলায় দেশটিতে ২,৬৫৯ জন নিহত এবং ৮,১৮৩ জন আহত হয়েছেন।

এই সহিংসতার সূত্রপাত কোনো একক দিনের ঘটনা নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে চলমান সীমান্ত উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি হামলা এবং আঞ্চলিক সংঘাতের ধারাবাহিক বিস্তারের ফলাফল। বিশেষ করে আগের পর্যায়ে ইসরায়েল ও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়তে থাকে, যা পরবর্তীতে বৃহৎ আকারের সামরিক অভিযানে রূপ নেয়।

পরবর্তীতে এক পর্যায়ে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তব পরিস্থিতিতে সেই বিরতি পুরোপুরি কার্যকর হয়নি বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়। সীমান্ত এলাকায় ছোট-বড় সংঘর্ষ, বিমান হামলা এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়ার ঘটনা অব্যাহত থাকে, যার ফলে যুদ্ধবিরতির ঘোষিত কাঠামো কার্যত দুর্বল হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন

‘সবাই জানে আমরা ইরানকে ধ্বংস করে দিচ্ছি’

এরই ধারাবাহিকতায় ২ মার্চ থেকে নতুন করে ব্যাপক মাত্রার সামরিক অভিযান শুরু হয়, যা এখনো পুরোপুরি থামেনি। এই সময়কালে আবাসিক এলাকা, অবকাঠামো এবং বিভিন্ন জনবহুল অঞ্চলে আঘাতের অভিযোগ উঠেছে, যার ফলে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

মানবিক সংকটও ক্রমেই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।হাসপাতালগুলোতে চাপ বাড়ছে, চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং বহু এলাকায় জরুরি সহায়তা পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, যারা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ছুটে বেড়াচ্ছেন। সূত্র: আলজাজিরা

ভোরের আকাশ/নি

লেবানন

শেয়ার করুন: