শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

২৪ শতাংশ বাড়তে পারে জ্বালানির দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২:৩২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে বড় ধাক্কা খেয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার। বিশ্বব্যাংকের ধারণা, এই সংকটের কারণে চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় মূল্যবৃদ্ধি হতে পারে জ্বালানির দামে।

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, এর ফলে বিশ্বজুড়ে পণ্য বাজার, মূল্যস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ব্যাপক প্রভাব পড়বে। সংস্থাটির সাম্প্রতিক ‘কমোডিটি মার্কেটস আউটলুক’ এর প্রতিবেদনে এসব বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে জ্বালানির দাম প্রায় ২৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। যা ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পরবর্তী সময়ের সর্বোচ্চ পর্যায় হবে। সামগ্রিকভাবে পণ্যের দাম ১৬ শতাংশ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। যার মূল কারণ জ্বালানি, সার এবং ধাতুর মূল্যবৃদ্ধি।

বিশ্বব্যাংক বলছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ৩৫ শতাংশ সমুদ্রপথে তেল পরিবাহিত হয়। সংঘাতের কারণে দৈনিক প্রায় ১ কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহে প্রাথমিকভাবে বিঘ্ন ঘটেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ইতোমধ্যে ব্যাপক বেড়েছে। এপ্রিলের মাঝামাঝিতে এটি বছরের শুরু থেকে ৫০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। 

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ব্রেন্ট তেলের গড় দাম প্রতি ব্যারেল ৮৬ ডলার হতে পারে। যা ২০২৫ সালে ছিল ৬৯ ডলার। তবে পরিস্থিতি খারাপ হলে দাম ১১৫ ডলার পর্যন্তও পৌঁছাতে পারে। জ্বালানির পাশাপাশি সার বাজারেও বড় চাপ তৈরি হয়েছে। সারের দাম প্রায় ৩১ শতাংশ বাড়তে পারে, যার মধ্যে ইউরিয়ার দাম প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।

আরও পড়ুন

জাতিসংঘের সভায় ইরানের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়াল যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সতর্ক করেছে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে আরও প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটে পড়তে পারে। ধাতব বাজারেও চাপ তৈরি হচ্ছে।অ্যালুমিনিয়াম, তামা ও টিনের মতো ধাতুর দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। একই সঙ্গে ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে স্বর্ণসহ মূল্যবান ধাতুর দাম প্রায় ৪২ শতাংশ
পর্যন্ত বাড়তে পারে। ম্যাক্রো অর্থনীতিতে প্রভাবও গুরুতর। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি ২০২৬ সালে প্রায় ৫.১ শতাংশ হতে পারে, যা পূর্বাভাসের তুলনায় বেশি। আর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৬ শতাংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তা ইন্দর্মিত গিল বলেন, যুদ্ধের প্রভাব ধাপে ধাপে আসে—প্রথমে জ্বালানির দাম বাড়ে, পরে খাদ্যের দাম বাড়ে এবং শেষে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার বাড়ায়, যা ঋণকে আরও ব্যয়বহুল করে তোলে।

ভোরের আকাশ/নি

জ্বালানির দাম

শেয়ার করুন: