শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

মুখ থুবড়ে পড়ল বলপূর্বক হরমুজ প্রণালী খোলার উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

জোরপূর্বক হরমুজ প্রণালী খোলার ব্যাপারে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের অনুমোদন চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপন করা একটি প্রস্তাব আটকে দিয়েছে ভেটো ক্ষমতাধর তিন দেশ রাশিয়া, চীন ও ফ্রান্স। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।

জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর পথটির ওপর নিয়ন্ত্রণ নেয় ইরান।

দেশটির সামরিক বাহিনী বলেছে, প্রণালীটি তাদের নৌবাহিনীর ‘দৃঢ় ও কর্তৃত্বপূর্ণ’ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এটি ইরানের ‘শত্রুদের জন্য’ বন্ধই থাকবে। অবরোধের জেরে গত একমাসে পারস্য উপসাগরে কমপক্ষে ২ হাজার ১৯০টি বাণিজ্যিক জাহাজ আটকা পড়েছে।

এসব জাহাজের মধ্যে ৩২০টির বেশি তেল ও গ্যাসবাহী ট্যাংকার রয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও গ্যাস রফতানি হুমকির মুখে পড়েছে। অন্যদিকে বিশ্বের বহু দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে বলপ্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালী খোলার অনুমতি চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করে উপসাগরীয় দেশ বাহরাইন।

একজন কূটনীতিক ও জাতিসংঘের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আরব দেশগুলো এমন একটি প্রস্তাব আনে যাতে জাতিসংঘের মাধ্যমে ‘বলপ্রয়োগের অনুমতি’ দেয়া হয়, যাতে হরমুজ প্রণালী–এ আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল স্বাভাবিক রাখা যায়।

আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) প্রস্তাবটির ওপর ভোটাভুটি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভেটো ক্ষমতাধর তিন দেশের বিরোধিতার কারণে উদ্যোগটি ভেস্তে গেছে। রাশিয়া, চীন ও ফ্রান্স জানিয়েছে, তারা নীতিগতভাবে এমন কোনো প্রস্তাবের বিরোধী যেখানে সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়।

জাতিসংঘে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন ইস্যুতে চীন ও রাশিয়াকে বরাবর ইরানের পক্ষে অবস্থান নিতে দেখা গেছে। তবে অন্যতম ভেটো ক্ষমতাধর ফ্রান্স এবারই প্রথম কার্যত ইরানের পক্ষে অবস্থান নিলো।

যার ইঙ্গিত গত বৃহস্পতিবার দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর বক্তব্য থেকেই পাওয়া গিয়েছিল। এদিন দক্ষিণ কোরিয়া সফরকালে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, কিছু লোক সামরিক অভিযানের মাধ্যমে বলপূর্বক হরমুজ প্রণালী মুক্ত করার ধারণাকে সমর্থন করছে।

তিনি বলেন, এটি এমন একটি বিকল্প যা আমরা কখনোই সমর্থন করিনি, কারণ এটা অবাস্তব। তিনি আরও বলেন, সামরিক অভিযানের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালী মুক্ত করতে অনন্তকাল লেগে যাবে এবং যারা এই প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করবে, তারা ইরানের বিপ্লবী বাহিনীর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ঝুঁকির মুখে পড়বে।

ম্যাক্রোঁ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সংঘাত শেষ হওয়ার পর হরমুজের মধ্যদিয়ে অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করতে একটি জোট গঠনের জন্য ইউরোপীয় ও অন্যান্য মিত্রদের সঙ্গে কাজ করবেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি যে এই প্রণালীটি অবশ্যই পুনরায় খুলে দিতে হবে, কারণ এটি জ্বালানি প্রবাহ সার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এটি কেবল ইরানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই করা সম্ভব।

ভোরের আকাশ/এনএস

হরমুজ প্রণালীজাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ

শেয়ার করুন: