শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে নতুন কৌশল

ইরানের ৫০০ মিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টো সম্পদ জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিপুল পরিমাণ ডিজিটাল সম্পদ জব্দ করার দাবি করেছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, ইরানের প্রায় ৫০ কোটি (৫০০ মিলিয়ন) ডলারের সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

তিনি বলেন, সম্প্রতি পরিচালিত ‘অপারেশন ইকোনমিক ফিউরি’-এর অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী, এর মধ্যে প্রায় ৩৫ কোটি ডলারের ডিজিটাল সম্পদ সরাসরি জব্দ করা হয়েছে এবং আগের ধাপে আরও প্রায় ১০ কোটি ডলার আটক করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে ইরানের বড় অঙ্কের ক্রিপ্টো সম্পদ এখন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

স্কট বেসেন্ট আরও জানান, শুধু ক্রিপ্টোকারেন্সিই নয়, বিভিন্ন দেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা ইরানি সম্পদের ওপরও নজরদারি ও জব্দ অভিযান চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে যেসব বিদেশি প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংক বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখছে, তাদের ওপর চাপ বাড়ানো হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী দাবি করেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে গত বছর থেকেই ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর নীতি কার্যকর করা হয়েছে, যা পরবর্তীতে আরও কঠোর করা হয়।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক করে বলেছে, যে কোনো দেশ বা প্রতিষ্ঠান যদি ইরানের সঙ্গে তেল বাণিজ্য অব্যাহত রাখে, তবে তাদের বিরুদ্ধে ‘সেকেন্ডারি স্যাংশন’ বা পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।

অন্যদিকে ইরান এই অভিযোগ ও পদক্ষেপকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের দাবিকে “অর্থহীন” ও “অসার” বলে মন্তব্য করেন। তিনি আরও দাবি করেন, এসব পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়িয়ে তেলের দাম আরও বৃদ্ধি করতে পারে।

ভোরের আকাশ/সু.পা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা

শেয়ার করুন: