শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সিন্ধুর পানিবন্টনে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ জুন ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভারত যদি পাকিস্তানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সিন্ধু নদের পানিবণ্টন চুক্তির বিষয়ে নিজেদের অবস্থান অব্যাহত রাখে, তাহলে প্রয়োজনে এ ইস্যুতে দেশটির সঙ্গে যুদ্ধ করতেও প্রস্তুত আছে পাকিস্তান। এমনটাই জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ।

গতকাল পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “পানি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার অংশ। যে মুহূর্ত থেকে আমরা অনুভব করব যে আমাদের পানির নিরাপত্তা গুরুতর হুমকির মুখে, সেই মুহূর্তেই আমরা ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করব।”

তবে তিনি আরও বলেন, সিন্ধু নদের পানি সরবরাহ ব্যাহত করতে ভারত ‘উদ্বেগজনক গতিতে’ তৎপরতা চালাচ্ছে—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া গেলে তবেই ভারতের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের বিষয়টি বিবেচনা করবে পাকিস্তান।

উল্লেখ্য, হিমালয়ের কৈলাস পর্বতের বোখার-চু হিমবাহ থেকে উৎপত্তি হয়ে সিন্ধু নদ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আরব সাগরে মিশেছে। এটি এশিয়ার অন্যতম দীর্ঘ নদীগুলোর একটি। এই নদ এবং এর ছয়টি উপনদীর পানির ব্যবহার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ এশিয়ার দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছে।

আরও পড়ুন

টেস্ট খেলতে ইংল্যান্ডে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল

এই বিরোধ নিরসনে ১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বরে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় ‘ইন্ডাস ওয়াটার ট্রিটি’ স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, সিন্ধু অববাহিকার পূর্বাঞ্চলের তিন নদী—ইরাবতী, বিপাশা ও শতদ্রুর পানি ব্যবহার করার অধিকার পায় ভারত। আর পশ্চিমাঞ্চলের তিন নদী—সিন্ধু, ঝিলাম ও চেনাবের অধিকাংশ পানি ব্যবহারের অধিকার পায় পাকিস্তান।

চুক্তিতে কোনো দেশ একতরফাভাবে এটি স্থগিত বা বাতিল করতে পারবে—এমন কোনো বিধান নেই। তবে ২০২৫ সালে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগাঁও অঞ্চলে ভারতীয় পর্যটকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার ঘটনার পর ভারত সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি স্থগিত করে। সেই স্থগিতাদেশ এখনো প্রত্যাহার করেনি নয়াদিল্লি। সূত্র : এআরওয়ই নিউজ, এনডিটিভি অনলাইন

ভোরের আকাশ/সু.পা

সিন্ধুর পানিবন্টন

শেয়ার করুন: