শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইসরায়েলে জার্মানির রেকর্ড অস্ত্র রপ্তানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে ইসরায়েলের জন্য প্রায় ৮০ কোটি ইউরো মূল্যের অস্ত্র রপ্তানির লাইসেন্স অনুমোদন দিয়েছে জার্মানি। 

দেশটির সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এই অনুমোদনের পরিমাণ আগের ২০ মাসে দেওয়া মোট অনুমোদনের চেয়েও বেশি।

জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পার্লামেন্টে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছে, লাইসেন্সগুলোর প্রায় সবই এপ্রিল ও মে মাসে অনুমোদিত হয়েছে।

সরকার জানিয়েছে, অনুমোদিত অস্ত্র রপ্তানির মোট মূল্যের ৬০ শতাংশেরও বেশি একটি বড় সামুদ্রিক প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ। যদিও প্রকল্পটির নাম প্রকাশ করা হয়নি, বিশ্লেষকদের ধারণা এটি জার্মান যুদ্ধজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টিকেএমএসের তৈরি একটি সাবমেরিন সরবরাহ কর্মসূচি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডলফিন–টু শ্রেণির পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম বলে ধারণা করা সাবমেরিন ‘আইএনএস ড্রাকন’-এর মূল্য প্রায় ৪৮ কোটি ইউরো। গত সপ্তাহে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলি নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জার্মান গণমাধ্যম জানিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাবমেরিনটিতে উল্লম্ব ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা থাকতে পারে, যা পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সুযোগ দেবে। এ ধরনের সক্ষমতা ইসরায়েলের দ্বিতীয় প্রতিশোধমূলক হামলার সামরিক সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

চলতি বছরের মে মাসে টিকেএমএস ইসরায়েলের বৃহত্তম বেসরকারি প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান এলবিট সিস্টেমসের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার জন্য একটি সমঝোতা স্মারকও সই করেছে। তবে অস্ত্র রপ্তানির এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও মানবাধিকার পর্যবেক্ষকরা। তাদের মতে, গাজায় চলমান যুদ্ধের মধ্যে ইসরায়েলের সামরিক সক্ষমতা আরও বাড়িয়ে দেওয়া মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র প্রতিযোগিতা এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে।

বন ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর কনফ্লিক্ট স্টাডিজের গবেষক ম্যাক্স মুটশলার বলেন, জার্মান সরকারের অস্ত্র রপ্তানি নীতিতে স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে। অন্যদিকে ব্রিটিশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান শ্যাডো ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টিগেশনসের গবেষক রুথ রোডে অভিযোগ করেন, গাজায় সামরিক অভিযান চালানো এবং পারমাণবিক সক্ষমতা জোরদারের মতো প্রেক্ষাপটে এই সাবমেরিন সরবরাহ ইসরায়েলের সামরিক শক্তিকে আরও বাড়িয়ে দেবে।

আরও পড়ুন

ফিলিস্তিনের ১২৩ একর জমি দখল, লেবাননে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল

২০২৫ সালের আগস্টে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎজ গাজায় ব্যবহার করা হতে পারে, এমন অস্ত্র রপ্তানিতে সাময়িক স্থগিতাদেশের ঘোষণা দিলেও কয়েক মাস পর সরকার আবার আবেদনগুলো ক্ষেত্রভিত্তিক বিবেচনার মাধ্যমে অনুমোদনের নীতিতে ফিরে যায়।

জার্মান অর্থ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ অস্ত্র রপ্তানি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে দেশটি প্রায় ১৩ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের অস্ত্র রপ্তানির লাইসেন্স দিয়েছে। ইউক্রেন এখনো জার্মান অস্ত্রের সবচেয়ে বড় ক্রেতা হলেও ইসরায়েলে রপ্তানির সাম্প্রতিক বৃদ্ধি নতুন করে আন্তর্জাতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা

ভোরের আকাশ/এম

ইসরায়েল

শেয়ার করুন: