শিরোনাম
চার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগ

একাধিক দেশে রয়েছে ইরানের অস্ত্র কারখানা দাবি ইরানি মন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৫, ১:১০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
একাধিক দেশে রয়েছে ইরানের অস্ত্র কারখানা দাবি ইরানি মন্ত্রীর
একাধিক দেশে রয়েছে ইরানের অস্ত্র কারখানা দাবি ইরানি মন্ত্রীর

ইরান নিজেদের সীমান্তের বাইরে একাধিক দেশে অস্ত্র তৈরির কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ। তবে কোন কোন দেশে এসব স্থাপনা রয়েছে, তা তিনি প্রকাশ করেননি।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নাসিরজাদেহ বলেন, “আমরা কয়েকটি দেশে অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তুলেছি। আপাতত সেসব দেশের নাম প্রকাশ করছি না।”

তিনি আরও জানান, গত এক বছরে ইরান উন্নত ও নিয়ন্ত্রিত নতুন ধরনের ওয়ারহেডের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে।

এ বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন ইরানের নৌবাহিনী সম্প্রতি ওমান উপসাগর ও উত্তর ভারত মহাসাগরে বৃহৎ সামরিক মহড়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠের লক্ষ্যবস্তুতে ক্রুজ মিসাইল পরীক্ষা করেছে। এর আগে জুলাই মাসে কাস্পিয়ান সাগরে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেয় তেহরান।

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে আধুনিক অস্ত্র কেনার সুযোগ হারায় ইরান। এরপর থেকে দেশটি স্থানীয়ভাবে অস্ত্র উৎপাদন ও পুরোনো প্রযুক্তিকে আধুনিকায়নের পথ বেছে নেয়।

ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি, গত জুনে ইসরাইলের সঙ্গে সংঘাত যদি আরও দীর্ঘস্থায়ী হতো, তবে শেষ তিন দিনে ইসরাইল কোনো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে পারত না। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা ছাড়া যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানো সম্ভব হতো না।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ওই সংঘাতে ইরান তাদের সবচেয়ে আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘কাসেম বাসির’ ব্যবহারই করেনি। প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার পাল্লার এ অস্ত্রটি উন্নত গাইডেন্স সিস্টেমসহ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভেদ করার প্রযুক্তি নিয়ে তৈরি।

নাসিরজাদেহ দাবি করেন, সংঘাতের শুরুতে প্রায় ৪০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত হলেও শেষ দিকে ৯০ শতাংশ নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে, যা ইরানের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রমাণ।

অন্যদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী পাল্টা দাবি করেছে, ১২ দিনের যুদ্ধে তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে।

ভোরের আকাশ/হ.র

ইরান

শেয়ার করুন: