শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ইরানকে ১০ দিনের আল্টিমেটাম ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে আবারও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তেহরানের হাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন সময় আছে, নইলে সামরিক হামলার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর উদ্বোধনী বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, গত বছরের জুনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা গাজায় যুদ্ধবিরতির পথ তৈরি করেছিল। তার দাবি, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা না হলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব হতো না।

ট্রাম্প বলেন, হয়তো আমাদের আরও এক ধাপ এগোতে হবে, আবার হয়তো নয়। আমরা চুক্তিও করতে পারি। আগামী ১০ দিনের মধ্যেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফা পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, জেনেভায় আলোচনায় ভালো অগ্রগতি হয়েছে এবং একটি চুক্তির মূলনীতিতে বিস্তৃত সমঝোতায় পৌঁছানো গেছে।

তবে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে। সেখানে দুটি বিমানবাহী রণতরী ও বহু যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে।

ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না। দেশটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সীমিত করা এবং কঠোর আন্তর্জাতিক তদারকিতে রাখতে সম্মত হওয়ার কথাও জানিয়েছে।

কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন বলেছে, তারা ইরানের কোনো ধরনের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণই মেনে নেবে না। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপরও সীমা আরোপ করতে চায়। তবে তেহরান বলেছে, প্রতিরক্ষা নীতির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

ট্রাম্প আরও জানান, তার কূটনৈতিক সহকারী স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে খুব ভালো বৈঠক করেছেন।

এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স–এ যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির জবাবে বলেন, যুদ্ধজাহাজ বিপজ্জনক সামরিক সরঞ্জাম, কিন্তু তার চেয়েও বেশি বিপজ্জনক সেই অস্ত্র, যা ওই যুদ্ধজাহাজকে সমুদ্রের তলদেশে পাঠাতে পারে।

ভোরের আকাশ/আ.র

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

শেয়ার করুন: