শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

খালার দ্বন্দ্বের জেরে ক্ষতির শিকার আমি: টিউলিপ সিদ্দিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৫, ১১:১১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
খালার দ্বন্দ্বের জেরে ক্ষতির শিকার আমি: টিউলিপ সিদ্দিক
খালার দ্বন্দ্বের জেরে ক্ষতির শিকার আমি: টিউলিপ সিদ্দিক

সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও তার খালা শেখ হাসিনার মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

রবিবার ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ান-এ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন টিউলিপ। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন পত্রিকার প্রধান প্রতিবেদক ড্যানিয়েল বফি।

আগামী ১১ আগস্ট তার মামলার শুনানিতে তিনি সরাসরি বা ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন কিনা জানতে চাইলে টিউলিপ বলেন, “আমি এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তলবপত্র পাইনি। কয়েক দিনের মধ্যেই একটি সাজানো বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি, অথচ আমার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগও জানি না।”

গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের প্রসঙ্গে টিউলিপ বলেন, “আমি এখানে আমার খালাকে রক্ষা করতে আসিনি। আমি জানি তার সরকারের পতন কিভাবে হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। আশা করি বাংলাদেশের মানুষ তাদের কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাবে।”

তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের “নোংরা রাজনীতি” তার জীবন বদলে দিয়েছে। গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কিছু ওয়েবসাইটের খবরে বলা হয়েছে— টিউলিপ তার খালার মাধ্যমে রাশিয়ার একটি কোম্পানি থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আত্মসাৎ করেছেন, যা বাংলাদেশে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ সংক্রান্ত চুক্তির সাথে জড়িত। ২০১৩ সালে মস্কোতে শেখ হাসিনা ও পুতিনের সঙ্গে তোলা টিউলিপের একটি ছবি এ অভিযোগকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

ছবিটি প্রসঙ্গে টিউলিপ বলেন, “আমার খালা তখন রাষ্ট্রীয় সফরে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন। আমি ও আমার বোন লন্ডন থেকে সেখানে যাই। কোনো রাজনৈতিক আলোচনায় আমি জড়িত ছিলাম না। সফরের শেষ দিনে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়, তখনই ছবিটি তোলা হয়। পুতিনের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ ছিল মাত্র দুই মিনিটের।”

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চলতি বছর যুক্তরাজ্যে সফরকালে টিউলিপ অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করেছিলেন, তবে ইউনূস তা প্রত্যাখ্যান করেন। এছাড়া, যুক্তরাজ্যের অর্গানাইজড ক্রাইম এজেন্সি শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ দুই ব্যক্তির লন্ডনের প্রায় ৯০ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের সম্পত্তি জব্দ করেছে, যার একটি বাড়িতে টিউলিপের মা বাস করতেন। এ প্রসঙ্গে টিউলিপ বলেন, “এটার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।”

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: