ফিলিপাইনের অভিযান ঠেকাতে আকাশে চীনা হেলিকপ্টারের চক্কর

দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপাইনের একটি আইন প্রয়োগকারী অভিযান ঠেকাতে চীনের কোস্টগার্ড জাহাজ এবং আকাশে একটি চীনা সামরিক হেলিকপ্টার বাধা সৃষ্টি করেছে। রোববার (৪ অক্টোবার) ফিলিপাইনের কোস্টগার্ড জানায়, থিতু দ্বীপের তিন নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে স্যান্ডি কেজ এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
থিতু দ্বীপটি ফিলিপাইনে ‘পাগ-আসা’ নামে পরিচিত। ওই এলাকায় ডিনামাইট ব্যবহার করে মাছ ধরার অভিযোগে একটি বিদেশি ট্রলার ধরতে কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও পুলিশের একটি যৌথ দল অভিযান চালায়।
এ সময় চীনের দুটি কোস্টগার্ড জাহাজ হর্ন বাজিয়ে ফিলিপাইনের দলের পথ আটকে দেয়। পাশাপাশি চীনা নৌবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার চারবার তাদের মাথার ওপর দিয়ে চক্কর দেয়।
ফিলিপাইনের দলটি রেডিওর মাধ্যমে বিদেশি ট্রলারটিকে থামার নির্দেশ দেয়। কিন্তু নির্দেশ অমান্য করে ট্রলারটি চীনের কৃত্রিম দ্বীপ সুবি রিফের দিকে পালিয়ে যায়। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ফিলিপাইনের দলও অভিযান থেকে পিছু হটে।
ফিলিপাইনের কোস্টগার্ডের দাবি, চীনের এমন আচরণের কারণেই সন্দেহভাজন ট্রলারটি পালানোর সুযোগ পেয়েছে। ওই অঞ্চলে চীনের কোনো আইনি অধিকার নেই বলেও দাবি করেছে দেশটি। এ ছাড়া চীনের তাড়িয়ে দেওয়ার দাবিও প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিপাইন।
মূল ভূখণ্ড থেকে ৪৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ৩৭ হেক্টর আয়তনের থিতু দ্বীপটি ফিলিপাইনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে দক্ষিণ চীন সাগরে দুই দেশের উত্তেজনা কেবল জলসীমাতেই সীমাবদ্ধ নেই।
ফিলিপাইনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, শনিবার স্কারবোরো শোলের কাছে দেশটির একটি টহল বিমানের খুব কাছাকাছি চলে আসে চীনের একটি জে-১৬ যুদ্ধবিমান। ঘটনাটিকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে ফিলিপাইন। এসব ঘটনা নিয়ে ম্যানিলায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
ভোরের আকাশ/আ.র