শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় ইরানের আলামুত দুর্গ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ঐতিহাসিক আলামুত দুর্গ এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি দুর্গকে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশটির ৩০তম দৃশ্যমান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি লাভ করল। রোববার (২৬ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির ৪৮তম অধিবেশনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা পাওয়া এই ধারাবাহিক সম্পদের তালিকায় রয়েছে সাতটি ঐতিহাসিক দুর্গ ও প্রতিরক্ষা স্থাপনা। এগুলো হলো—আলামুত, লাম্বসার, নওইজার শাহ, শামস-কালায়ে, কাস্তিন-লার, শিরকুহ এবং ইলান দুর্গ। স্থাপনাগুলো পূর্ব ও পশ্চিম আলামুত উপত্যকা এবং আলবোরজ পর্বতমালার দক্ষিণ ঢালজুড়ে অবস্থিত।

আরও পড়ুন

ভারী বর্ষণে চীনের পর্যটন এলাকায় আকস্মিক বন্যা, নিহত ১০

ইউনেস্কোর তথ্য অনুযায়ী, ১১শ থেকে ১৩শ শতকের মধ্যে দুর্গগুলো এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল, যাতে স্থানীয় ভূপ্রকৃতি, পানি ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগপথ, প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং স্থাপত্য পরিকল্পনার সর্বোচ্চ সুবিধা কাজে লাগানো যায়।

ঐতিহাসিকভাবে এসব দুর্গ শুধু রাজনৈতিক ও সামরিক দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ছিল না; এগুলো সে সময় জ্ঞানচর্চার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হতো। ইতিহাসবিদদের মতে, বিখ্যাত পণ্ডিত খাজা নাসিরুদ্দিন তুসির নামও এসব দুর্গের সঙ্গে জড়িত।

ভোরের আকাশ/সু.পা

ইউনেস্কো, আলামুত দুর্গ

শেয়ার করুন: