শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভিয়েতনামে জবাইয়ের উদ্দেশ্যে চুরি যাওয়া ৪০০ বিড়াল উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬, ১:৪৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভিয়েতনামে জবাইয়ের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল এমন ৪০০-এর বেশি বিড়াল উদ্ধার করেছে পুলিশ। দেশটির হো চি মিন সিটিতে কথিত একটি বিড়াল চোর চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে এসব প্রাণী উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে একটি প্রাণীকল্যাণ সংস্থা।

হো চি মিন সিটি পুলিশের সরকারি পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, বিড়াল চুরি ও সংগ্রহে বিশেষজ্ঞ একটি অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

স্থানীয় আইন অনুযায়ী, ভিয়েতনামে কুকুর ও বিড়ালের মাংস খাওয়া বৈধ হলেও বিক্রেতাদের প্রাণীর উৎস প্রমাণে বৈধ অনুমতিপত্র রাখতে হয়। স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, পোষা প্রাণী চুরির একাধিক ঘটনার তদন্তের পর ১১ জুন পুলিশ এই চক্রের সন্ধান পায়।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন, গত তিন বছর ধরে তারা দক্ষিণ ভিয়েতনামের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিড়াল চুরি করে সংগ্রহ করছিলেন। পরে এসব প্রাণী নির্দিষ্ট স্থানে জমা করা হতো এবং প্রতি দুই থেকে তিন দিন পরপর ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করা হতো।

প্রাণীকল্যাণ সংস্থা হিউম্যান ওয়ার্ল্ড ফর অ্যানিম্যালস জানায়, উদ্ধার হওয়া বিড়ালের মধ্যে প্রায় ৪০টি ইতোমধ্যে তাদের মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি প্রাণীগুলো উদ্ধারে কর্তৃপক্ষের ভূমিকার প্রশংসা করলেও জানিয়েছে, নির্যাতন ও দুর্ভোগের কারণে কিছু বিড়াল পরে মারা গেছে।

আরও পড়ুন

উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে ট্রাম্পকে মধ্যস্থতার আহ্বান দক্ষিণ কোরিয়ার

বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে থাকা প্রাণীদের জন্য খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছে সংস্থাটি। তদন্ত চলমান থাকায় যেসব প্রাণী এখনো তাদের মালিকদের খুঁজে পায়নি, তাদের শনাক্তে পুলিশ সাধারণ মানুষের সহায়তা চেয়েছে।

হিউম্যান ওয়ার্ল্ড ফর অ্যানিম্যালসের তথ্য অনুযায়ী, ভিয়েতনামে প্রতিবছর প্রায় ৫০ লাখ কুকুর এবং ১০ লাখ বিড়াল মাংসের জন্য ধরা, চুরি, পাচার ও জবাই করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে এসব প্রাণী সরাসরি বাড়ি থেকেও চুরি করা হয়। কুকুর ধরতে বিষমিশ্রিত খাবার, টেজার ও লোহার চিমটা ব্যবহার করা হয়, আর বিড়াল ধরতে ব্যবহার করা হয় স্প্রিং-চালিত ফাঁদ। যদিও দেশটিতে কুকুর ও বিড়ালের মাংস খাওয়ার প্রচলন এখনো রয়েছে, প্রাণী অধিকারকর্মীরা বলছেন, জনমত ধীরে ধীরে পরিবর্তনের দিকে যাচ্ছে। সূত্র: বিবিসি

ভোরের আকাশ/সু.পা

ভিয়েতনাম

শেয়ার করুন: