শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বার্তা মোজতবা খামেনির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বার্তা মোজতবা খামেনির
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বার্তা মোজতবা খামেনির

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এক নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত বা ‘না যুদ্ধ, না শান্তি’ পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে হলে তেহরানের বেঁধে দেওয়া সব শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬) ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মহসিন রেজাইয়ের  সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে মহসিন রেজাই দেশের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সংকট নিরসনে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে সর্বোচ্চ নেতাকে অবহিত করেন। এরপর মোজতবা খামেনি স্পষ্ট করে জানান, যুদ্ধ বন্ধের প্রক্রিয়ায় ইরানি জনগণের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষার পাশাপাশি তথাকথিত ‘প্রতিরোধ ফ্রন্ট’-এর স্বার্থ নিশ্চিত করতে হবে। আর সেজন্য তেহরানের দেওয়া শর্তসমূহ মানা অপরিহার্য।

রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদকে কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে উল্লেখ করে তিনি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সুদৃঢ় সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক জোরদার করে জাতীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা বজায় রাখার নির্দেশ দেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘাত নিরসনে এবং উত্তেজনা কমাতে আন্তর্জাতিক নানা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে তুরস্ক, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও ইরান আঞ্চলিক নিরাপত্তা সুসংহত করতে এবং স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজতে নিজেদের মধ্যে নিবিড় কূটনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।

ভোরের আকাশ/আ.র

শেয়ার করুন: