শিরোনাম
নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসিইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবনভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসিইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব

ট্রাম্প আশাবাদী, তবে চুক্তি নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০২৬, ৫:৫৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তেহরান জানিয়েছে, এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

রোববার (১৪ জুন) ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি এক প্রতিবেদনে জানায়, প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা ঘোষণা দেয়নি।

ইরানি আলোচক দলের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাতে সংস্থাটি জানায়, আলোচনায় থাকা প্রস্তাবিত চুক্তির বিষয়ে এখনো পর্যালোচনা চলছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।

এদিকে প্রস্তাবিত এই চুক্তি ইরানের কট্টরপন্থী মহলের বিরোধিতার মুখে পড়েছে। তাদের দাবি, চুক্তিটি ইরানের জাতীয় স্বার্থ পুরোপুরি রক্ষা করবে না। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে তেহরানের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, রোববারই ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। তার মতে, চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরপরই হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক নৌপরিবহনের জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত করা হবে।

তবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ট্রাম্পের এমন আশাবাদী বক্তব্যের সমালোচনা করেছে। তাদের অভিযোগ, যখন ইরানি আলোচকরা বলছেন সমঝোতা এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তখন ট্রাম্প অস্বাভাবিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন।

আইআরজিসির দাবি, ১৪ জুন ট্রাম্পের জন্মদিন হওয়ায় তিনি এদিন চুক্তি স্বাক্ষর করে সেটিকে রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ হিসেবে ব্যবহার করতে চাইতে পারেন।

এর আগে শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে ২০১৫ সালে হওয়া ইরান পারমাণবিক চুক্তির কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, ওই চুক্তি ইরানের জন্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ সহজ করে দিয়েছিল।

আরও পড়ুন

হরমুজে ৫৬২ ভারতীয় নাবিক ১০৭ দিন ধরে আটকা

ট্রাম্প আরও বলেন, তার প্রশাসনের নীতির ফলে সেই পরিস্থিতি বদলে গেছে এবং বর্তমানে ইরান আর পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথে নেই। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে তার প্রশাসনের সম্পর্ক আগের যেকোনো মার্কিন সরকারের তুলনায় ভালো।

নিজের পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ওবামা প্রশাসনের চুক্তি ইরানের জন্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির একটি সহজ পথ ছিল। বিপরীতে তার প্রস্তাবিত চুক্তি পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ঠেকাতে কার্যকর বাধা হিসেবে কাজ করবে। সূত্র: এএফপি।

ভোরের আকাশ/সু.পা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা

শেয়ার করুন: