শিরোনাম
নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসিইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবনভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসিইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব

সৌদি ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির বিস্তারিত জানাল তুরস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ৯:৫৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সামরিক চুক্তির আওতায় তিন দেশের জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের নিয়ে বিভিন্ন কাঠামো গঠন, যৌথ সামরিক মহড়া এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এসব তথ্য জানিয়েছে।

গত ৭ আগস্ট তিন দেশ ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। চুক্তিতে বলা হয়েছে, কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। বিষয়টি সামরিক জোট ন্যাটোর যৌথ প্রতিরক্ষা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

বৃহস্পতিবার আঙ্কারায় সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, চুক্তিটির মূল লক্ষ্য হলো তিন দেশের প্রতিরক্ষা ও সামরিক সম্পর্ককে আরও ‘প্রাতিষ্ঠানিক ও টেকসই’ ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠা করা।

মন্ত্রণালয় বলেছে, চুক্তির আওতায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সেনাপ্রধান বা সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডারদের নিয়ে কৌশলগত রাজনৈতিক ও সামরিক বিভিন্ন কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে তিন দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে সমন্বয় নিশ্চিত করা হবে।

এছাড়া স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনীর পাশাপাশি আকাশ প্রতিরক্ষা এবং চালকবিহীন ব্যবস্থাকে নিয়ে যৌথ সামরিক মহড়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতাও আরও গভীর করার কথা জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সহযোগিতার লক্ষ্য শুধু অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। যৌথভাবে সামরিক সরঞ্জাম ও ব্যবস্থা উন্নয়ন ও উৎপাদন, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ ও সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়টিও এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে চালকবিহীন ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সামরিক সক্ষমতার ওপর। ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনী রয়েছে তুরস্কের।

দেশটি জানিয়েছে, পারমাণবিক অস্ত্রধারী পাকিস্তান ও বিশ্বের শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবের সঙ্গে করা এই প্রতিরক্ষা চুক্তি ভবিষ্যতে আরও দেশকে যুক্ত করার জন্য উন্মুক্ত। সম্ভাব্য সদস্য হিসেবে মিসরের নামও আলোচনায় রয়েছে।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল সুরক্ষায় একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠনের লক্ষ্যে জেদ্দায় অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোতেও তুরস্ক অংশ নিচ্ছে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল জেকি আকতুর্ক বলেন, ইসরায়েল গাজা ও লেবাননে দখলদারত্ব ও হামলা বন্ধ করলেই কেবল এ অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

তিনি বলেন, ইসরায়েল গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে, যার ফলে সেখানে মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিবেদনেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন

অ্যান্ডি হলকে ৫ লাখ রিঙ্গিত জরিমানা মালয়েশিয়ার হাইকোর্টের

আকতুর্ক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১৫ দফা গাজা পরিকল্পনা ইসরায়েল প্রত্যাখ্যান করায় দেশটি আঞ্চলিক সম্প্রসারণবাদের নীতি অনুসরণ করছে এমন আরেকটি ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। একইভাবে একটি কাঠামোগত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েল হামলা ও সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও দৃঢ় ও শক্ত অবস্থান নিতে হবে। তাহলেই এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হবে। সূত্র : আলজাজিরা

ভোরের আকাশ/এসএইচ

সৌদি ও পাকিস্তান

শেয়ার করুন: