শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে খাদ্যসংকটের আশঙ্কা জাতিসংঘের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হয়ে থাকায় আগামী মাসগুলোতে বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ খাদ্যমূল্য সংকট তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)। গত ২০ মে এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, এই অচলাবস্থা কেবল সাময়িক কোনো নৌ-পরিবহন বিঘ্ন নয়, বরং এটি একটি পদ্ধতিগত কৃষি-খাদ্য সংকটের সূচনা। স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর তেহরান কার্যকরভাবে এই প্রণালি দিয়ে সব ধরনের ট্যাংকার ও কার্গো চলাচল বন্ধ করে দেয়। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়েই সরবরাহ করা হতো। এছাড়া বিশ্বের মোট সারের এক-তৃতীয়াংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো। এফএও সতর্ক করেছে যে, এর ফলে গ্রীষ্মকালীন চাষাবাদের মৌসুমে কৃষকেরা মারাত্মক সার সংকটে পড়তে পারেন।

আরও পড়ুন

বেতন-বোনাস পরিশোধের আহ্বান অতিরিক্ত আইজিপির

রোমভিত্তিক এই সংস্থাটি সমুদ্র ও স্থলপথে বিকল্প রুটের ওপর জোর দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে আরব উপদ্বীপ হয়ে লোহিত সাগর পর্যন্ত বিকল্প পথ ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এফএওর প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো টরেরো এক পডকাস্টে বলেন, ‘এই প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলায় দেশগুলোর সহনশীলতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে ভাবার সময় এসেছে।’

সংস্থাটি মনে করছে, আগামী ছয় থেকে ১২ মাসের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ বৈশ্বিক খাদ্যসংকট দেখা দিতে পারে। এই ধাক্কাটি মূলত কয়েকটি ধাপে আসবে—প্রথমে জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধি, এরপর বীজের সংকট, শস্যের ফলন কমে যাওয়া এবং সবশেষে পণ্যমূল্য ও খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি। এফএও জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে তাদের বিশ্ব খাদ্যমূল্য সূচক টানা তিন মাস ধরে বাড়ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশগুলোকে জ্বালানি ও সারের ওপর রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা না দিতে এবং খাদ্য সহায়তার ক্ষেত্রে সব ধরনের বাণিজ্যিক বাধা তুলে নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

ভোরের আকাশ/এনএস

খাদ্যসংকটের আশঙ্কাহরমুজ প্রণালি

শেয়ার করুন: