শিরোনাম
নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসিইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবনভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসিইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব

মার্কিন বিমান হামলায় ইরানের ৫ সেতু বিধ্বস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করছে। ইরানের দক্ষিণ উপকূলীয় হরমুজগান প্রদেশে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এই হামলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৫টি সেতু সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদসংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি হরমুজগান প্রাদেশিক গভর্নরের কার্যালয়ের বরাত দিয়ে এই খবর নিশ্চিত করেছে। খবর আলজাজিরার।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, মার্কিন যুদ্ধবিমান থেকে ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বন্দরনগরী বান্দর আব্বাসের সঙ্গে খামির ও লার শহরের সংযোগকারী ‘গারিভেহ সেতু’ এবং লতিদান গ্রামের নিকটবর্তী ঐতিহাসিক ও কৌশলগত সেতু ধ্বংস হয়ে গেছে। এ ছাড়া কাহুরেস্তান-লার রুটে অবস্থিত দুটি ভিন্ন সেতু, বান্দর-ই খামির ও কেশারের সঙ্গে বান্দর আব্বাসের সংযোগকারী নির্মাণাধীন বড় সেতু এবং খামির জেলার মারু গ্রামের স্থানীয় একটি সেতু এই বিমান হামলায় লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।

আরও পড়ুন

পাহাড়ি দুর্যোগে বিপর্যস্ত রাঙামাটির খামারিরা, প্রাণিসম্পদে ক্ষতি দেড় কোটি টাকা

হামলার পরপরই হরমুজগান প্রদেশের গভর্নর কার্যালয় থেকে সাধারণ মানুষের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উদ্ধারকারী দল, ফায়ার সার্ভিস ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলো যাতে কোনো বাধা ছাড়াই ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোতে পৌঁছাতে পারে, সেজন্য সর্বসাধারণকে এই রুটগুলো এবং এর আশপাশের এলাকা দিয়ে যাতায়াত না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, পারস্য উপসাগর ও কৌশলগত হরমুজ প্রণালির প্রবেশদ্বারে অবস্থিত বান্দর আব্বাস অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় রসদ সরবরাহ ও সামরিক যাতায়াতের পথ পঙ্গু করে দেওয়াই ছিল মার্কিন এই নিখুঁত হামলার মূল লক্ষ্য। এই হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়েছে।

ভোরের আকাশ/ইউএম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ

শেয়ার করুন: