ইহুদিবিদ্বেষ প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তলব করল ফ্রান্স

ফ্রান্সে ইহুদিবিদ্বেষ বাড়ছে—মার্কিন রাষ্ট্রদূত চার্লস কুশনারের এমন মন্তব্যকে ভিত্তিহীন বলে আখ্যা দিয়েছে প্যারিস। এ কারণেই সোমবার ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে তলব করে।
এক বিবৃতিতে ফ্রান্স জানায়, দেশটি শুরু থেকেই ইহুদিবিদ্বেষ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, বিশেষ করে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে। মন্ত্রণালয়ের মতে, কুশনারের অভিযোগ আন্তর্জাতিক আইন, বিশেষত ১৯৬১ সালের ভিয়েনা কনভেনশনের পরিপন্থি, যা একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের শামিল।
রাষ্ট্রদূত কুশনার প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁকে লেখা এক চিঠিতে দাবি করেন, ফ্রান্সে প্রতিদিন ইহুদিরা হামলার শিকার হচ্ছেন, উপাসনালয় ও স্কুলে আক্রমণ হচ্ছে, ইহুদি মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, “আজকের দিনে অ্যান্টি-জায়নিজম মানেই অ্যান্টি-সেমিটিজম।”
এর আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ফ্রান্সের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেন, এটি “সন্ত্রাসকে পুরস্কৃত করার শামিল” এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডকে ইরানের আরেকটি প্রক্সি ঘাঁটিতে পরিণত করবে।
এএফপির তথ্যমতে, জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য দেশের মধ্যে অন্তত ১৪৫টি ইতোমধ্যেই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে অথবা স্বীকৃতির পরিকল্পনা করছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মাখোঁর পরিকল্পনার বিরোধিতা করে মন্তব্য করেন, এটি “হামাসের প্রচারণাকে শক্তিশালী করার উপহার।”
ভোরের আকাশ//হ.র