শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইসরায়েলি সীমান্তের কাছে হিজবুল্লাহর গোপন ড্রোন কারখানার সন্ধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৬, ৪:৪৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েল সীমান্তের কাছে একটি ভূগর্ভস্থ অস্ত্র কারখানার সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। তাদের দাবি, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এই স্থাপনা থেকে উন্নত ড্রোন তৈরি ও পরিচালনা করতো এবং এর পেছনে ছিল তেহরানের অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা।

সোমবার (২২ জুন) দ্য টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের মাজদাল জৌন গ্রামে একটি সুড়ঙ্গপথের সন্ধান পায় আইডিএফ। ইসরায়েলি সীমান্ত থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ওই সুড়ঙ্গ দিয়ে প্রবেশ করে সেনারা পাহাড়ের নিচে নির্মিত একটি বিশাল ভূগর্ভস্থ স্থাপনা খুঁজে পায়।

আইডিএফের দাবি, কয়েকশ মিটার বিস্তৃত এই সুড়ঙ্গের গভীরে প্রায় ২৯ মিটার নিচে অবস্থিত অস্ত্রভান্ডারটি বিশেষ বিস্ফোরণরোধী ইস্পাতের দরজায় সুরক্ষিত ছিল। সেখানে ড্রোন তৈরির উপযোগী বিভিন্ন কক্ষ ও অবকাঠামোরও সন্ধান পাওয়া গেছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে ইরানের সরাসরি সহায়তায় এই স্থাপনাটি গড়ে তোলা হয়েছে। চোরাইপথে আনা যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে সেখানে ড্রোন তৈরি করা হতো এবং সেগুলো দিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা ছিল।

আরও পড়ুন

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের মালিক এখন মেসি

আইডিএফ জানিয়েছে, অভিযান চালিয়ে তারা প্রায় ৫০টি ড্রোন এবং প্রায় আট টন বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে। একইসঙ্গে পাহাড়ের দক্ষিণাংশে ড্রোন উৎক্ষেপণের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ লঞ্চিং পয়েন্টেরও সন্ধান পাওয়া গেছে।

সেনাবাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, এগুলো এমন ড্রোন, যা ইসরায়েলের জন্য বড় ধরনের হুমকি ছিল। আমরা হিজবুল্লাহর কাছ থেকে সেই সক্ষমতা কেড়ে নিতে পেরেছি। সম্প্রতি আইডিএফ ওই ভূগর্ভস্থ স্থাপনার ছবি প্রকাশ করেছে এবং সাংবাদিকদের সেখানে নিয়ে গিয়ে পুরো এলাকা ঘুরিয়ে দেখায়।

ভোরের আকাশ/এম

ড্রোন কারখানা

শেয়ার করুন: