শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশি আপন ভাইকে কিডনি দান করেছেন ভারতীয় বোন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:৫৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশি আপন ভাইকে কিডনি দান করেছেন ভারতীয় বোন। সীমান্তে অপর প্রান্তে থাকা ভাই স্বপনের প্রতি বোন অনুপা বিশ্বাসের এমন ভালোবাসা মুগ্ধ করেছে সবাইকে।

৪৩ বছর বয়সী স্বপন পেশায় মাছ ব্যবসায়ী। কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তার কিডনি প্রতিস্থাপন জরুরি হয়ে পড়ে স্বপনের। তার বড় বোন, ভারতীয় নাগরিক অনুপা ভাইকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন। তিনি স্বপনকে নিজের একটি কিডনি দেন। গত ৩ জানুয়ারি স্বপনের সফল কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়। এরপর হাসপাতাল থেকে তিনি বাড়িতেও চলে যান।

সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, স্বপন ও অনুপার বাবা-মা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের জীবনরক্ষায় ভারতে চলে যান। তারা বুর্দওয়ানে আশ্রয় নেন এবং বেশ কিছু বছর থাকেন। এরপর সাতক্ষীরায় নিজেদের পৈতৃক বাড়িতে ফিরে আসেন। তবে অনুপাকে বুর্দওয়ানের এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেন। বিয়ে হওয়ায় অনুপা সেখানে থেকে যান। আর তাদের বাবা-মা তিন সন্তানকে নিয়ে ফিরে আসেন।

স্বপন বলেছেন, “পরিস্থিতি ভালো হওয়ার পর আমরা যখন বাংলাদেশে ফিরে আসি। তখনও আমি অনেক ছোট ছিলাম। কিন্তু বোনকে রেখে আসি। কারণ তখন তিনি বিবাহিত ছিলেন।”

২০১৮ সালে কিডনি বিকল হয়ে যায় স্বপনের। এরপর থেকে তার ডায়ালসিস চলছিল। শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তিনি আর কোনো কাজও করতে পারছিলেন না। তার তিন বোন, যারমধ্যে একজন ভারতে, তারা তাকে আর্থিকভাবে সহায়তা শুরু করেন।

কলকাতার একটি হাসপাতালের চিকিৎসকরা যখন তাকে কিডনি প্রতিস্থাপনের কথা বলেন। তখন ৫৫ বছর বয়সী অনুপাই সবার আগে এগিয়ে আসেন।

চিকিৎসকরা তাদের কিডনিতে ১০০ শতাংশ জিনগত মিল পান। এতে করে কিডনি দানের বিষয়টি অনেক সহজ হয়ে যায়।

টাইমস অব ইন্ডিয়া বলেছে, ভাই ও বোনের মধ্যে কিডনি দানের বিষয়টি বিরল না হলেও। সীমান্তের এক পাশে থাকা বোনের সীমান্তের অপর পাশে থাকা ভাইকে কিডনি দেওয়ার ঘটনা খুব সম্ভবত আর নেই।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

 ভোরের আকাশ/ র.ই

কিডনি দানস্বপন

শেয়ার করুন: