শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

অতিরিক্ত তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ১ হাজারের বেশি প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপজুড়ে বয়ে যাওয়া তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে ফ্রান্সে অতিরিক্ত অন্তত এক হাজার মানুষের মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত হয়েছে। রোববার দেশটির জনস্বাস্থ্যবিষয়ক সংস্থা স্যঁতে পাবলিক ফ্রান্স প্রকাশিত এক প্রাথমিক পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে, তাপপ্রবাহজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় আরও অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যাদের তথ্য এখনো পরিসংখ্যানে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। ফলে প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

প্রাথমিক হিসাবের বিস্তারিত তুলে ধরে সংস্থাটি জানায়, নিহতদের বেশিরভাগই বয়স্ক মানুষ। পাশাপাশি কেয়ার হোম ও ব্যক্তিগত বাসাবাড়িতে মৃত্যুর পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহের পর প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বর্তমানে ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ভয়াবহ তাপপ্রবাহের কবলে রয়েছে। এতে কোটি কোটি মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অতিরিক্ত গরমে ইতোমধ্যে কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে অতীতের বিভিন্ন তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙে যাচ্ছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বিজ্ঞানীদের মতে, গত ২০ জুন থেকে শুরু হওয়া এই তাপপ্রবাহ ইউরোপের ইতিহাসে রেকর্ড করা সবচেয়ে তীব্র তাপপ্রবাহগুলোর একটি। তারা বলছেন, বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় ইউরোপের জলবায়ু অনেক দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, যার প্রভাব হিসেবে এ ধরনের চরম আবহাওয়া আরও ঘন ঘন দেখা দিচ্ছে।

আরও পড়ুন

হিজবুল্লাহর হামলায় ইসরায়েলি প্লাটুন কমান্ডার নিহত

ফ্রান্সে কমতে শুরু করেছে তাপপ্রবাহ
ফ্রান্সের আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, তাপপ্রবাহ ধীরে ধীরে দেশের পূর্বাঞ্চলের দিকে সরে যাচ্ছে। দেশের অধিকাংশ এলাকায় চরম গরম কিছুটা কমলেও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি অঞ্চল এখনো তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তার আওতায় রয়েছে।

ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্তেফানি রিস্ট বলেছেন, আবহাওয়া স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও তাপপ্রবাহের স্বাস্থ্যগত প্রভাব আরও প্রায় ১০ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। দেশটির টেলিভিশন চ্যানেল বিএফএমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এই দুর্যোগ এখনো শেষ হয়নি।’ স্যঁতে পাবলিক ফ্রান্স জানিয়েছে, মৃতদের অধিকাংশের বয়স ৬৫ বছর বা তার বেশি। তবে সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, তীব্র তাপপ্রবাহের স্বাস্থ্যঝুঁকি সব বয়সী মানুষের ওপরই প্রভাব ফেলছে। সূত্র: এএফপি।

ভোরের আকাশ/সু.পা

ইউরোপ

শেয়ার করুন: