শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

হরমুজ প্রণালি নিষেধাজ্ঞা

বিশ্বে ভয়াবহ খাদ্যসংকটের আশঙ্কা জাতিসংঘের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বিশ্বে ভয়াবহ খাদ্যসংকটের আশঙ্কা জাতিসংঘের
বিশ্বে ভয়াবহ খাদ্যসংকটের আশঙ্কা জাতিসংঘের

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় বিশ্বজুড়ে ফসল বপনের মৌসুমে ব্যাঘাত ঘটছে। এর ফলে বৈশ্বিক খাদ্যসংকট আসন্ন এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় ‘সময় ফুরিয়ে আসছে’ বলে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সতর্ক করে দিয়েছেন জাতিসংঘের এক অর্থনীতিবিদ।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেরো বলেছেন, ‌‌‘‘বর্তমানে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ভারত, সুদান, কেনিয়াসহ ব্রাজিল ও থাইল্যান্ডের মতো দেশে ফসল বপনের মৌসুম চলছে।’’

তিনি বলেন, যদি হরমুজ প্রণালিতে এই অচলাবস্থা চলতে থাকে—যা বিশ্বের ৩৫ শতাংশ জ্বালানি তেল, ২০ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস এবং ২০ থেকে ৩০ শতাংশ সারের জোগান দেয়; তাহলে কৃষকরা কম উপকরণ ব্যবহার করে চাষাবাদ করতে বাধ্য হবেন। এর ফলে ফলন ব্যাহত হবে এবং খাদ্যের সহজলভ্যতা কমে যাবে।

সতর্ক করে দিয়ে তোরেরো বলেছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে কোনও সমঝোতা যদি হয়ও; ততক্ষণে যা ক্ষতি হওয়ার তা হয়ে গেছে। বাণিজ্য পুণরায় শুরু এবং আগামী কয়েক মাস বাজারের এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য ৯০ দিনের একটি সময়সীমা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, যদি তারা কোনও চুক্তিতে পৌঁছায়, তাহলে আমাদের হাতে শূন্য থেকে ৯০ দিনের একটি সময় থাকবে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক সময়। এর অর্থ হলো তিন থেকে চার মাসের মধ্যে বাজার অধিকাংশ ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবে এবং সারের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। এতে পরিস্থিতি শান্ত এবং সম্ভাব্য খাদ্যসংকট এড়ানো যেতে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ অভিযান শুরুর পর বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দখল করে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও পশ্চিমা বিশ্ব ইরানি জনগণের ‘ন্যায্য অধিকারকে’ স্বীকৃতি দেওয়ার আগ পর্যন্ত হরমুজে ইরানি নিয়ন্ত্রণ থাকবে বলে আইআরজিসি ঘোষণা দিয়েছে। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনের সামরিক উপদেষ্টা মোহসিন রেজায়ি বুধবার এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইরানের অধিকারের স্বীকৃতি ও সুরক্ষার আগ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি আমরা ছাড়ব না। পূর্ববর্তী আলোচনার ওপর ভিত্তি করে অবশ্যই সতর্কতার সঙ্গে একটি নতুন চুক্তি করতে হবে এবং সেই চুক্তিতে অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোকে প্রাধান্য দিতে হবে।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধকে ভয় পায়, কিন্তু আমরা তাদের মতো নই। দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এবং অভিজ্ঞতা দু’টিই আমাদের আছে।

ভোরের আকাশ/সু.পা

খাদ্যসংকটের আশঙ্কা

শেয়ার করুন: