স্বস্তি ৩ লাখ ৪০ হাজার যাত্রীর
অগ্ন্যুৎপাতের তীব্রতা কমতেই ইন্দোনেশিয়ায় ৮ বিমানবন্দরে ফ্লাইট চালু

আগ্নেয় পর্বত আনাক ক্রাকাতাউয়ের অগ্ন্যুৎপাতের তীব্রতা কমে আসায় ইন্দোনেশিয়ায় স্বাভাবিক হচ্ছে বিমান চলাচল। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে রাজধানী জাকার্তার সোয়েকার্নো-হাট্টাসহ আটটি বিমানবন্দরে ফের শুরু হয়েছে ফ্লাইট ওঠানামা। এতে কয়েক দিন ধরে বিমানবন্দরগুলোতে আটকে থাকা ৩ লাখ ৪০ হাজারের বেশি যাত্রীর ভোগান্তি কমেছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে ইন্দোনেশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। মন্ত্রণালয়ের এক্স ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টেও বিমান চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার তথ্য জানানো হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে হঠাৎ সক্রিয় হয়ে ওঠে সুন্দা প্রণালিতে অবস্থিত আগ্নেয় পর্বত আনাক ক্রাকাতাউ। এটি ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দুই দ্বীপ জাভা ও সুমাত্রাকে পৃথক করেছে। অগ্ন্যুৎপাতের সময় পর্বতটি থেকে বিপুল পরিমাণ গ্যাস, লাভা ও ছাই নির্গত হয়। পাশাপাশি জাকার্তা, পূর্ব জাভা, পশ্চিম জাভা ও সুমাত্রাসহ দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ঘন ঘন মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
অগ্ন্যুৎপাতের ছাইয়ে রাজধানী জাকার্তাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা ঢেকে যায়। জাকার্তা থেকে আনাক ক্রাকাতাউয়ের দূরত্ব প্রায় ১৫০ কিলোমিটার।
অগ্ন্যুৎপাতের কারণে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) থেকে সোয়েকার্নো-হাট্টাসহ আটটি বিমানবন্দরে ফ্লাইট উড্ডয়ন ও অবতরণ স্থগিত করে ইন্দোনেশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয়। এতে প্রায় ৩ হাজার ফ্লাইট বাতিল হয়। ফলে এসব বিমানবন্দরে আটকা পড়েন প্রায় সাড়ে ৩ লাখ যাত্রী।
পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আটকা পড়া যাত্রীদের অধিকাংশই সিঙ্গাপুর, দোহা, সিডনি ও কুয়ালালামপুর রুটের ফ্লাইটের যাত্রী। সূত্র : এএফপি
ভোরের আকাশ/সু.পা