শিরোনাম
চার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগ

৪০ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ৮ দেশের ১৬টি মার্কিন স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২ মে ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ৪০ দিনের যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশের ১৬টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান। সিএনএন এর এক অনুসন্ধানি প্রতিবেদনে জানা গেছে এ তথ্য।

ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধ্বংস বা গুরুতর ক্ষয়ক্ষতির শিকার হওয়া এসব সামরিক স্থাপনার মধ্যে আছে অ্যাডভান্সড রাডার সিস্টেম, কমিউনিকেশন সিস্টেম এবং মার্কিন যুদ্ধবিমান। বেশ কয়েকটি স্যাটেলাইট চিত্র এবং যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের হামলার শিকার হওয়া প্রতিটি সামরিক স্থাপনা ও যুদ্ধাস্ত্র দামী এবং প্রতিস্থাপন করা কঠিন। কোনো কোনো স্থাপনা এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে সেগুলোকে আর মেরামত করে প্রতিস্থাপন করা কোনো ভাবেই সম্ভব নয়।

ক্ষতিগ্রস্ত এসব স্থাপনা ও সামরিক সরঞ্জামগুলোর প্রায় সবই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সামরিক ঘাঁটিতে অবস্থিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে সিএনএনের প্রতিবেদনে।

ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন সম্পর্কে অবগত কংগ্রেসের একজন সহকারীর বরাত দিয়ে সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোই এই অঞ্চলের অধিকাংশ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেছেন, “তারা সুপরিকল্পিতভাবে বেছে বেছে আমাদের রাডার সিস্টেমগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। তারা জানে যে এ অঞ্চলে এই রাডার সিস্টেমগুলো আমাদের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সামরিক সম্পদ।”

আরও পড়ুন

চুক্তি লঙ্ঘন করে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১৩

ক্ষতিগ্রস্ত এসব সামরিক স্থাপনা ও সম্পদের মেরামতের জন্য প্রচুর অর্থ প্রয়োজন। মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর এক কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেছেন, ইরানের হামলায় বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা ঘাঁটি মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিটের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সেগুলো মেরামত করে ব্যবহার উপযোগী করতে লাগবে ২০ কোটি ডলার।

“এটা শুধু মধ্যপ্রাচ্যের একটি সেনা ঘাঁটির হিসেব। বাকিগুলোর হিসেব এখনও চূড়ান্ত হয়নি”, সিএনএনকে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।

ভোরের আকাশ/ এনউব

মার্কিন স্থাপনা ধ্বংস

শেয়ার করুন: