শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে বেরিয়ে গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে বেরিয়ে গেল
যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে বেরিয়ে গেল

যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের প্রত্যাহার সম্পন্ন করেছে। এবিসি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের এক বছর পরে এই প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শেষ হলো।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (এইচএইচএস) এবং পররাষ্ট্র দপ্তর যৌথভাবে এ সিদ্ধান্তের তথ্য প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার এইচএইচএসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিজেদের মূল লক্ষ্য থেকে সরে গেছে। তারা একাধিকবার মার্কিন নাগরিকদের সুরক্ষার প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করেছে।

কোভিড মহামারীর সময় ডব্লিউএইচওর ভূমিকা নিয়েই মূল সমালোচনা ট্রাম্প প্রশাসনের। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, ডব্লিউএইচও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে দেরি করেছে।

তারা এটাও বলছে, মহামারীর শুরুর দিকে কিছু দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ বন্ধ করার যে সিদ্ধান্ত ট্রাম্প নিয়েছিলেন, ডব্লিউএইচও ‘অন্যায়ভাবে’ সেটার সমালোচনা করেছে।

অন্যান্য যুক্তি হিসেবে এইচএইচএস বলছে, ডব্লিউএইচওতে চীনের মতো কিছু দেশের অর্থনৈতিক অবদান যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে কম। তারপরও ডব্লিউএইচওতে কখনো কোনো মার্কিন নাগরিক মহাপরিচালকের পদ পাননি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ডব্লিউএইচও থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের সমালোচনা করেছেন।

তাদের মতে, এ সিদ্ধান্তের ফলে দেশটি স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলার ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়বে।

‘ইনফেকশাস ডিজিজেস সোসাইটি অব আমেরিকার’ প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড নাহাস এবিসি নিউজকে বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তটি ভুল। এটি দূরদর্শিতার অভাবও। এই সিদ্ধান্ত আমাদের বৈশ্বিক স্বাস্থ্য প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার শামিল।

তিনি বলেন, জীবাণু সীমান্ত মানে না, তাই নিজেদের নাগরিকদের সুরক্ষায় বৈশ্বিক সহযোগিতা ও যোগাযোগ অত্যন্ত জরুরি।

 

ভোরের আকাশ/এনএস

আন্তর্জাতিক সংস্থাডোনাল্ড ট্রাম্পপ্রত্যাহারবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থামার্কিন যুক্তরাষ্ট্রযুক্তরাষ্ট্র

শেয়ার করুন: