শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্য; বাল্টিক সাগরে বড় মহড়ায় নামছে ন্যাটো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ জুন ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
সংগৃহীত: ছবি
সংগৃহীত: ছবি

বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে সংঘাতের কারণে নৌবহরের একাংশ ব্যস্ত থাকায় এবার বাল্টিক সাগরে কিছুটা সীমিত পরিসরে বার্ষিক সামরিক মহড়া শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার ন্যাটো মিত্ররা। তবে আয়তন কমলেও এই মহড়া রাশিয়ার কাছে পশ্চিমা দেশগুলোর ঐক্য ও শক্তির শক্তিশালী বার্তা পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন জার্মানির এক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

১৯৭১ সাল থেকে চলে আসা পাঁচ দশকের পুরোনো এই বার্ষিক মহড়া আগামী ৪ জুন শুরু হয়ে ২০ জুন পর্যন্ত চলবে। এবারের মহড়ায় ১৫টি দেশের প্রায় ২০টি জাহাজ এবং ৬ হাজার সেনাসদস্য অংশ নিচ্ছেন। বাল্টিক অঞ্চলে চরম উত্তেজনার মধ্যেই এই আয়োজন করা হলেও গত বছরের তুলনায় এবারের মহড়ার আকার প্রায় অর্ধেক।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মহড়ার আকার ছোট হওয়ার অর্থ এই নয় যে ন্যাটোর প্রতিশ্রুতি কমে গেছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালি এবং আর্কটিক অঞ্চলে মার্কিন ও পশ্চিমা নৌবাহিনীগুলো বেশি ব্যস্ত থাকায় বাল্টিক সাগরে জাহাজের সংখ্যা কিছুটা কমাতে হয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ন্যাটোবিরোধী নানা সমালোচনা সত্ত্বেও ওয়াশিংটন এই মহড়ায় তাদের অন্যতম প্রধান জাহাজ ‘মাউন্ট হুইটনি’ পাঠাচ্ছে।

আরও পড়ুন

ইরান সরকারের পতন সময়ের ব্যাপার : নেতানিয়াহু

জার্মান রিয়ার অ্যাডমিরাল স্টিফান হাইশ বলেন, ‘বর্তমান সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে এবং ন্যাটোর ব্যাপক অংশগ্রহণে এই বড় মাপের মহড়া পরিচালনা করা জোটের শক্তিরই বহিঃপ্রকাশ। এটি সব মিত্র দেশের ঐক্য ও শক্তির প্রতীক।’ আঙ্কারা ও মস্কোর সঙ্গে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে জার্মানির রোস্টক শহরে ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত বহুজাতিক নৌ সদর দপ্তর এই মহড়াটি পরিচালনা করবে।

এবারের ‘ব্যালটপস’ মহড়াটি বাল্টিক সাগরের পশ্চিমাঞ্চল থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে পূর্ব দিকে অগ্রসর হবে। সুইডেনের গোটল্যান্ড দ্বীপের চারপাশের সমুদ্রপথ রক্ষা এবং রসদ সরবরাহ নিশ্চিত করার মহড়া দেয়া হবে এখানে। বাল্টিক দেশগুলোর জন্য এই সমুদ্রপথগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সংকটের সময় স্থলপথের সংকীর্ণ করিডোর ছাড়াও এই পথেই মূল রসদ পৌঁছানো সম্ভব।

রুশ উস্কানির বিষয়ে হাইশ বলেন, বাল্টিক অঞ্চলে উত্তেজনা থাকলেও রাশিয়া এমন কোনো সীমারেখা অতিক্রম করবে বলে তিনি মনে করেন না, যাতে ন্যাটোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা বা ‘আর্টিকেল ৫’ সক্রিয় করতে হয়। তিনি বলেন, ‘আমি ধরে নিচ্ছি রাশিয়া আমাদের পরীক্ষা করার চেষ্টা করলেও তারা বড় কোনো যুদ্ধে জড়াবে না।’

সমুদ্রপথ নিরাপত্তাবাল্টিক সাগর

শেয়ার করুন: