শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সিদ্ধান্তে ভারতের তেল আমদানিতে বড় ধাক্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩:৩৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে রাশিয়া ও ইরান থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতের জন্য দেওয়া বিশেষ ছাড় আর নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে নিষেধাজ্ঞার আওতায় না পড়েও এই দুই দেশ থেকে তেল আমদানির যে সুবিধা ভারত পেয়ে আসছিল, তা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, রাশিয়া ও ইরানের তেলের জন্য দেওয়া সাধারণ লাইসেন্স আর নবায়ন করা হবে না। আগে ১১ মার্চের আগ পর্যন্ত জাহাজে থাকা তেলের ক্ষেত্রেই এই ছাড় কার্যকর ছিল, যা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতীয় তেল শোধনাগারগুলো এই সময় রাশিয়া থেকে প্রায় ৩ কোটি ব্যারেল তেলের অর্ডার দিয়েছিল। এই ছাড়ের কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ বিঘ্নের মধ্যেও ভারত তুলনামূলকভাবে কম দামে রুশ তেল আমদানি করতে পারছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত ভারতের জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে ভারত রাশিয়া ও ইরান—উভয় দেশ থেকেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল আমদানি বাড়িয়েছিল। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মার্চ মাসে হরমুজ প্রণালির আশপাশে উত্তেজনা বাড়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ৩০ দিনের একটি বিশেষ লাইসেন্স দেয়, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে জাহাজে তোলা রুশ তেল বিক্রির অনুমতি ছিল। সেই ছাড়ের মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

অন্যদিকে ইরানি তেলের ক্ষেত্রেও দেওয়া আলাদা ছাড়ের মাধ্যমে প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বৈশ্বিক বাজারে পৌঁছায়, যার মেয়াদও শিগগির শেষ হচ্ছে। ২০১৮ সালে নিষেধাজ্ঞা কঠোর হওয়ার পর ইরান থেকে ভারতের তেল আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। তবে সাম্প্রতিক এই শিথিলতার সময় কিছু তেল আবার ভারতীয় বন্দরে পৌঁছায়—যা ছিল প্রায় সাত বছরের মধ্যে প্রথম বড় সরবরাহ।

নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের “সর্বোচ্চ চাপ” নীতি আরও কঠোর হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।

ভোরের আকাশ/সু.পা

ভারতের তেল আমদানিতে দুঃসংবাদ

শেয়ার করুন: