শিরোনাম
বৈশ্বিক পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকেরঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত, এমডির হাতে একক ক্ষমতাপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৪ সমঝোতা, ২ অনুদান চুক্তি ও অভিপ্রায়পত্র সইতত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে, বিকল্প নেই: সালাহউদ্দিন১ সপ্তাহের মধ‍্যে গার্মেন্টস শিল্পে মজুরি বোর্ড: শ্রমমন্ত্রী‘মন খারাপ করার অধিকারও আপনার নেই, বললে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে’ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপি অসতর্কভাবে শব্দচয়ন করেছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীউন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীরবৈশ্বিক পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকেরঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত, এমডির হাতে একক ক্ষমতাপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৪ সমঝোতা, ২ অনুদান চুক্তি ও অভিপ্রায়পত্র সইতত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে, বিকল্প নেই: সালাহউদ্দিন১ সপ্তাহের মধ‍্যে গার্মেন্টস শিল্পে মজুরি বোর্ড: শ্রমমন্ত্রী‘মন খারাপ করার অধিকারও আপনার নেই, বললে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে’ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপি অসতর্কভাবে শব্দচয়ন করেছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীউন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে সাইবার হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে দেশটির ফেডারেল নির্বাচন কমিশনের (এফইসি) ওয়েবসাইটে সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে রাজনৈতিক প্রচারের অর্থায়নসংক্রান্ত তথ্য জমা দেওয়ার ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দেখা একটি ইমেইল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচন সামনে রেখে প্রচারের শেষ সময়ে সুপার পিএসি ও গোপন অর্থায়নকারী বিভিন্ন গোষ্ঠী রেকর্ড পরিমাণ অর্থ ব্যয় করছে। এ নির্বাচনের মাধ্যমে আগামী দুই বছর কংগ্রেসের উভয় কক্ষে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পারবে কি না, তা নির্ধারিত হবে।

এক বিবৃতিতে এফইসি জানিয়েছে, তাদের ইলেকট্রনিক ফাইলিং ব্যবস্থা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। সেবা পুনরায় চালু করতে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের কর্মীরা কাজ করছেন। তবে ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইটে আগের জমা দেওয়া প্রতিবেদনগুলো অনুসন্ধান করতে পারছেন।

এফইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বার্তায় বলা হয়, স্থানীয় সময় সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে ফাইলিং ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে প্রকাশিত নতুন বার্তায় জানানো হয়, সমস্যাটি শনাক্ত করা হয়েছে এবং সমাধানের কাজ চলছে। তবে এফইসির ওয়েবসাইটে ফাইলিং ব্যবস্থা বন্ধ থাকার বিজ্ঞপ্তি বহাল ছিল।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে রয়টার্স যোগাযোগ করলেও এফইসি তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা ও অবকাঠামো নিরাপত্তা সংস্থা এবং কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো (এফবিআই) এ বিষয়ে প্রশ্নের জন্য এফইসির সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছে।

সাইবার হামলার কারণে নির্বাচনে ভোট গ্রহণ বা ভোটারদের ভোট দেওয়ার সক্ষমতা প্রভাবিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব এফইসির নয়। তবে এফইসির ব্যবস্থাটি বন্ধ থাকায় রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর নির্বাচনী ব্যয়ের ২৪ ও ৪৮ ঘণ্টার বাধ্যতামূলক প্রতিবেদন জমা দেওয়া যাচ্ছে না। এসব প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কারা কত অর্থ ব্যয় করছে, তার হিসাব থাকে।

রাজনৈতিক অর্থায়নবিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এমবিএ কনসাল্টিং গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী স্টিভেন মেলে বলেন, ‘২৬ বছরের অভিজ্ঞতায় এমন ঘটনা কখনো দেখিনি।’

সোমবার রাতে প্রচারাভিযানের অর্থায়নসংক্রান্ত কর্মকর্তারা বাধ্যতামূলক প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ার পর এফইসি ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। ওই রাতে কয়েকটি প্রচারাভিযানসংক্রান্ত পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো ইমেইলে এফইসির ইলেকট্রনিক ফাইলিং বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘একজন অসৎ ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এফইসির ব্যবস্থায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে। এ কারণে সাময়িকভাবে আমাদের ওয়েবভিত্তিক সেবাগুলো বন্ধ রাখতে হয়েছে।’

এদিকে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের হিসাব রাখা প্রতিষ্ঠান অ্যাডইমপ্যাক্টের তথ্য অনুযায়ী, এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল নির্বাচনে পরিণত হয়েছে। এখন পর্যন্ত বিজ্ঞাপন ও ভবিষ্যৎ বিজ্ঞাপন বরাদ্দ মিলিয়ে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ হাজার ১২১ কোটি ডলার। এর মধ্য দিয়ে ২০২৪ সালের নির্বাচনের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ওই নির্বাচনে সব প্রতিদ্বন্দ্বিতা মিলিয়ে ব্যয় হয়েছিল ১ হাজার ১২০ কোটি ডলার, যার মধ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ব্যয় হয় ৩২০ কোটি ডলার।

এবারের নির্বাচনে বিপুল ব্যয়ের বড় অংশ আসছে সুপার পিএসিগুলোর কাছ থেকে। এসব রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি ধনী ব্যক্তি ও করপোরেশনের কাছ থেকে সীমাহীন অর্থ অনুদান হিসেবে নিতে পারে এবং নির্দিষ্ট কিছু বিধিনিষেধের মধ্যে থেকে নির্বাচনী প্রচারে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে পারে। পাশাপাশি গোপন অর্থায়নকারী গোষ্ঠীগুলোও প্রচারে বড় অঙ্কের অর্থ ঢালছে।

আরও পড়ুন

১ সপ্তাহের মধ‍্যে গার্মেন্টস শিল্পে মজুরি বোর্ড: শ্রমমন্ত্রী

নির্দলীয় নির্বাচনি নজরদারি সংস্থা ওপেনসিক্রেটসের গবেষণা পরিচালক ব্রেন্ডন গ্লাভিন বলেন, গত এক সপ্তাহে সুপার পিএসি ও গোপন অর্থায়নকারী গোষ্ঠীগুলো প্রতিদিন গড়ে পাঁচ কোটি ডলারের বেশি ব্যয় করেছে। শুধু ২০ অক্টোবরেই ২৫ কোটি ডলারের বেশি ব্যয়ের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

ফাইলিং ব্যবস্থা বন্ধ থাকাকে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা উল্লেখ করে গ্লাভিন বলেন, ব্যবস্থা চালু না হওয়া পর্যন্ত ভোটাররা নির্বাচনী অর্থায়নের বিষয়ে অন্ধকারে থাকবেন। তার মতে, ‘এই প্রতিবেদনগুলোই আমাদের জানায় কী ঘটছে। নির্বাচনের শেষ দিনগুলোতে অর্থ কোথায় ব্যয় হচ্ছে এবং কারা ব্যয় করছে, তা জানার একমাত্র উপায় হলো এসব প্রতিবেদন।’

ভোরের আকাশ/এনএস

শেয়ার করুন: