শিরোনাম
নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসিইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবনভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসিইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব

যে শর্তে ইরানে হামলা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ওপর সম্ভাব্য তীব্র সামরিক হামলার সিদ্ধান্ত বাতিল করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই গুরুত্বপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির তথ্য প্রকাশ করা হয়।

হামলা স্থগিতের ঘোষণা দিয়ে ট্রাম্প বলছেন, দ্রুত সমঝোতা হলেই আর নতুন আঘাত হানবে না যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। প্রশ্ন উঠছে, এটা কি কূটনীতির সাফল্য, নাকি যুদ্ধের খরচ ও ঝুঁকির বাস্তব হিসাব করে নরম সুর গাইছেন ট্রাম্প?

সম্প্রতি ইরান ইস্যুতে সম্ভাব্য একটি চুক্তির কথা উঠে এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যে। তার দাবি, সংঘাত থামাতে উদ্যোগ নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ ও ইরান।

তবে এই ঘোষণার পরও হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ। হুথিদের হামলার আশঙ্কায় লোহিত সাগরেও ব্যাহত হচ্ছে জাহাজ চলাচল। অর্থাৎ, বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই সমুদ্রপথ এখনও অস্থিতিশীল।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের অবস্থান পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে একাধিক কৌশলগত ও অর্থনৈতিক কারণ।

প্রথমত, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বড় ধাক্কা লাগতে পারে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের পাঁচ ভাগের একভাগ অপরিশোধিত তেল এবং বিপুল পরিমাণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ হয়। এই পথ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, চাপে পড়বে বিশ্ব অর্থনীতি।

বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। ফলে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতে জড়ালে মার্কিন প্রতিরক্ষা সক্ষমতার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, আঞ্চলিক মিত্রদের উদ্বেগও ট্রাম্পের তুলনামূলক নরম অবস্থানের অন্যতম কারণ। সম্প্রতি সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান নতুন করে হামলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্পকে। একই সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে পাকিস্তান, কাতার, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। কারণ, সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হবে মধ্যপ্রাচ্যকেই।

আরও পড়ুন

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইসরাইল

রাজনৈতিক বিশ্লেষক আলী শিহাবি বলেন, সৌদি আরব মনে করে, সংঘাত আরও বাড়ানো কার্যকর হবে না। বরং সীমিত সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ওপর চাপ বজায় রেখে কূটনৈতিক সমাধানের পথ তৈরি করা সম্ভব।

অন্যদিকে, ট্রাম্পের দাবিকে সরাসরি নাকচ করেছে তেহরান। ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলের কোনো হামলা হলে তার জবাব দেওয়া হবে। প্রয়োজনে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

ইরান

শেয়ার করুন: