শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

তীব্র সংকটে পাকিস্তানে এক রাতেই দ্বিগুণ বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৩ এপ্রিল ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে বন্ধ ও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রভাবে তীব্র জ্বালানি সংকটে পড়েছে পাকিস্তান। পরিস্থিতি সামাল দিতে এক মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো জ্বালানি তেলের দাম বড় পরিসরে বাড়িয়েছে দেশটির সরকার।

নতুন ঘোষণায় পাকিস্তানে ডিজেলের দাম প্রায় ৫৫ শতাংশ এবং পেট্রোলের দাম ৪২ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। ফলে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২০ দশমিক ৩৫ রুপি এবং পেট্রোলের দাম হয়েছে ৪৫৮ দশমিক ৪০ রুপি। কেরোসিন তেলের দামও বাড়িয়ে ৪৫৭ দশমিক ৮০ রুপি নির্ধারণ করা হয়েছে। ঘোষণা দেওয়ার পরপরই দেশজুড়ে নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি মন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক এ সিদ্ধান্তকে অনিবার্য বলে উল্লেখ করে জানান, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

তিনি বলেন, গত কয়েক সপ্তাহে জনগণকে সহায়তা দিতে সরকার প্রায় ১২৯ বিলিয়ন রুপি ভর্তুকি দিয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন এ ভর্তুকি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আমদানি করা তেলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতাই পাকিস্তানের সংকটকে তীব্র করেছে। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আমদানি করা তেল হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে আসে, যা বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব জানান, এখন থেকে সরকার ঢালাও ভর্তুকির পরিবর্তে লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দেবে। মোটরসাইকেলচালক, ক্ষুদ্র কৃষক ও পরিবহন খাতকে বিশেষ ভর্তুকি দেওয়া হবে। এছাড়া রেলপথ ব্যবহারকারী স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্যও সহায়তা পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশটির সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/এনউব

জ্বালানি তেল

শেয়ার করুন: