শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের নেপথ্যে যা জানা গেল

তরুণদের চাপের মুখে পিছু হটল মোদি সরকার?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
তরুণদের চাপের মুখে পিছু হটল মোদি সরকার?
তরুণদের চাপের মুখে পিছু হটল মোদি সরকার?

ভারতে দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা ছাত্র আন্দোলন, নিট-ইউজি (NEET-UG) প্রশ্নফাঁস বিতর্ক এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের জেরে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়; বরং ক্রমবর্ধমান জনরোষ প্রশমিত করতে মোদি সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপ।

২০২১ সাল থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ধর্মেন্দ্র প্রধান ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পরও একই পদে বহাল ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সংকটের পর সরকারের প্রতি জনআস্থা ধরে রাখতে তার পদত্যাগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংকটের সূত্রপাত হয় চলতি বছরের ৩ মে অনুষ্ঠিত নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে। তদন্তে পরীক্ষার আগে ছড়িয়ে পড়া একটি ‘গেস পেপার’-এর সঙ্গে মূল প্রশ্নপত্রের মিল পাওয়ার পর ১২ মে পরীক্ষাটি বাতিল করে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)। পরে বিষয়টি তদন্তে সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সরকার তদন্ত, গ্রেপ্তার ও পুনঃপরীক্ষার উদ্যোগ নিলেও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ক্ষোভ কমেনি। আন্দোলন রাজপথের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আকার ধারণ করে।

দলীয় সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ক্ষুব্ধ তরুণদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে দৃশ্যমান রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়ে। সংসদ অধিবেশন চলাকালে সংকট দীর্ঘায়িত হলে সরকারের আইন প্রণয়ন কার্যক্রমও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা ছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, পরীক্ষার্থীদের বড় অংশই বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ ভোটার গোষ্ঠী। তাই দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক ক্ষতি এড়াতে এবং বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিতে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।

আরও পড়ুন

আলেমদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানে বুরকিনা ফাসোর সরকার, বাড়ছে বিতর্ক

তবে বিজেপির অভ্যন্তরীণ সূত্র দাবি করেছে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ তার সামগ্রিক কর্মদক্ষতার মূল্যায়ন নয়। জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন এবং ওড়িশার প্রভাবশালী ওবিসি নেতা হিসেবে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তরুণদের ক্ষোভ, জনমতের চাপ এবং রাজনৈতিক বাস্তবতার সমন্বয়েই শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে মোদি সরকারকে।

ভোরের আকাশ/এনএ

মোদি সরকারতরুণদের প্রত্যাশা

শেয়ার করুন: