শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভারতে তিব্বতি শরণার্থী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
সংগৃহীত
সংগৃহীত

চীনের নতুন ‘জাতিগত ঐক্য ও অগ্রগতি উন্নয়ন আইন’-এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করার সময় সোমবার ভারতের মুম্বাইয়ে কয়েকজন তিব্বতি শরণার্থীকে আটক করেছে মুম্বাই পুলিশ। দক্ষিণ মুম্বাইয়ের নারিম্যান পয়েন্টে জড়ো হন বিক্ষোভকারীরা।

তারা স্লোগান দেন। নতুন আইনের বিরুদ্ধে লেখা প্ল্যাকার্ডও বহন করেন। তাদের দাবি, এই আইন তিব্বতি জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক, ভাষাগত ও ধর্মীয় পরিচয়ের জন্য হুমকি হতে পারে। ঘটনাস্থলে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা বিক্ষোভে হস্তক্ষেপ করেন। পরে চীনের কনস্যুলেটের কাছে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের আটক করা হয়।

এই বিক্ষোভ ছিল নতুন আইনের বিরুদ্ধে তিব্বতি বিভিন্ন সংগঠনের বৃহত্তর আন্দোলনের অংশ। চীন বলেছে, এই আইনের লক্ষ্য বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ঐক্য বাড়ানো। তবে সমালোচকদের দাবি, এই আইন সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে মূলধারার সঙ্গে একীভূত করার নীতিকে আরো জোরালো করতে পারে।

মহারাষ্ট্র এবং ভারতের অন্যান্য এলাকার তিব্বতি শরণার্থী বসতি থেকে আসা অনেক শরণার্থীও মুম্বাইয়ের এই বিক্ষোভে অংশ নেন। তারা বলেন, এই আইন তিব্বতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রাচীন রীতিনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। খবরে বলা হয়েছে, ভারতের আরো কয়েকটি শহরেও একই ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে। সেখানে তিব্বতি আন্দোলনকারীরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি এই আইন কার্যকর করা নিয়ে উদ্বেগ জানানোর আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন

যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরলেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম

চীনের ‘জাতিগত ঐক্য ও অগ্রগতি উন্নয়ন আইন’ ২০২৬ সালের ১২ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।

এটি ২০২৬ সালের পহেলা জুলাই থেকে কার্যকর হয়। এই বিস্তৃত জাতীয় আইনে সবার জন্য একটি অভিন্ন চীনা জাতীয় পরিচয় অনুসরণের কথা বলা হয়েছে। শিক্ষা ও জনজীবনে প্রচলিত মান্দারিন ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ধর্ম ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতির ওপর রাষ্ট্রের নজরদারি আরো বাড়ানো হয়েছে।

ভোরের আকাশ/ইউএম

শরণার্থীভারতআটক

শেয়ার করুন: