সিঙ্গাপুরে মাদক-সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত সন্দেহে ৭ জন বাংলাদেশিকে আটক করেছে দেশটির সেন্ট্রাল নারকোটিক্স ব্যুরো (সিএনবি)।শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে সিএনবি আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিবাসী শ্রমিকদের বেশ কয়েকটি ডরমিটরিতে গত চার দিন ধরে অভিযান চালায় সেন্ট্রাল নারকোটিক্স ব্যুরো। এই অভিযানের পরই মাদক-সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত সন্দেহে মোট সাতজন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। আটকদের সবার বয়স ২০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। অবৈধ কার্যকলাপ দমনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই বিশেষ অভিযানে সেন্ট্রাল নারকোটিক্স ব্যুরোর সাথে অংশ নেয় সিঙ্গাপুর পুলিশ ফোর্স (এসপিএফ), সিঙ্গাপুর কাস্টমস, হেলথ সায়েন্সেস অথরিটি (এইচএসএ), মিনিস্ট্রি অব ম্যানপাওয়ার এবং ইমিগ্রেশন অ্যান্ড চেকপয়েন্টস অথরিটি (আইসিএ)। জানা যায়, গত সোমবার প্রথমে জুরং ওয়েস্টে অবস্থিত একটি ডরমিটরি থেকে মাদক সেবনের সন্দেহে ২৫ বছর বয়সি একজনকে আটক করা হয়। এরপর মঙ্গলবার সেলেতার এলাকার অন্য একটি ডরমিটরি থেকে আরও দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে একজনের কাছ থেকে স্বল্প পরিমাণে ‘আইস’ এবং বিভিন্ন মাদক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। সবশেষে বৃহস্পতিবার চোয়া চু কাং এলাকার একটি ডরমিটরিতে অভিযানের পর আরও চারজনকে মাদক-সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগে আটক করা হয়। তাদের মধ্যেও একজনের কাছ থেকে স্বল্প পরিমাণে ‘আইস’ এবং বিভিন্ন মাদক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত নভেম্বর মাসে উডল্যান্ডসের একটি অভিবাসী শ্রমিকের ডরমিটরিদতে রাতভর চার ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা অভিযানে একজন বাংলাদেশি ও একজন মিয়ানমারের নাগরিকসহ ১২ জনকে মাদক-সংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এনফোর্সমেন্ট ডিভিশনের ডেপুটি ডিরেক্টর সুপারিনটেনডেন্ট লিম উই বেং জানিয়েছেন, মাদক কার্যকলাপ যেখানেই ঘটুক না কেন কর্মক্ষেত্র বা আবাসিক প্রাঙ্গণে সিএনবি তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে। তিনি আরও বলেন, সিঙ্গাপুরে মাদকের কোনো স্থান নেই এবং যারা মাদক কার্যকলাপে জড়িত থাকবে তাদের আইনি শাস্তির সম্পূর্ণ সম্মুখীন হতে হবে। আমরা আমাদের অভিবাসী শ্রমিকসহ সকলের নিরাপত্তা ও কল্যাণ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং মাদক-সংক্রান্ত হুমকি শনাক্ত করতে বাধা দিতে ও প্রতিরোধ করতে আমাদের আইন প্রয়োগকারী অংশীদারদের সাথে সহযোগিতা অব্যাহত রাখব। ভোরের আকাশ/মো.আ.
১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১:০২ এএম
সিঙ্গাপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৭ বাংলাদেশি আটক
সিঙ্গাপুরে মাদক-সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত সন্দেহে ৭ জন বাংলাদেশিকে আটক করেছে দেশটির সেন্ট্রাল নারকোটিক্স ব্যুরো (সিএনবি)।শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে সিএনবি আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিবাসী শ্রমিকদের বেশ কয়েকটি ডরমিটরিতে গত চার দিন ধরে অভিযান চালায় সেন্ট্রাল নারকোটিক্স ব্যুরো। এই অভিযানের পরই মাদক-সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত সন্দেহে মোট সাতজন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। আটকদের সবার বয়স ২০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। অবৈধ কার্যকলাপ দমনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই বিশেষ অভিযানে সেন্ট্রাল নারকোটিক্স ব্যুরোর সাথে অংশ নেয় সিঙ্গাপুর পুলিশ ফোর্স (এসপিএফ), সিঙ্গাপুর কাস্টমস, হেলথ সায়েন্সেস অথরিটি (এইচএসএ), মিনিস্ট্রি অব ম্যানপাওয়ার এবং ইমিগ্রেশন অ্যান্ড চেকপয়েন্টস অথরিটি (আইসিএ)। জানা যায়, গত সোমবার প্রথমে জুরং ওয়েস্টে অবস্থিত একটি ডরমিটরি থেকে মাদক সেবনের সন্দেহে ২৫ বছর বয়সি একজনকে আটক করা হয়। এরপর মঙ্গলবার সেলেতার এলাকার অন্য একটি ডরমিটরি থেকে আরও দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে একজনের কাছ থেকে স্বল্প পরিমাণে ‘আইস’ এবং বিভিন্ন মাদক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। সবশেষে বৃহস্পতিবার চোয়া চু কাং এলাকার একটি ডরমিটরিতে অভিযানের পর আরও চারজনকে মাদক-সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগে আটক করা হয়। তাদের মধ্যেও একজনের কাছ থেকে স্বল্প পরিমাণে ‘আইস’ এবং বিভিন্ন মাদক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত নভেম্বর মাসে উডল্যান্ডসের একটি অভিবাসী শ্রমিকের ডরমিটরিদতে রাতভর চার ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা অভিযানে একজন বাংলাদেশি ও একজন মিয়ানমারের নাগরিকসহ ১২ জনকে মাদক-সংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এনফোর্সমেন্ট ডিভিশনের ডেপুটি ডিরেক্টর সুপারিনটেনডেন্ট লিম উই বেং জানিয়েছেন, মাদক কার্যকলাপ যেখানেই ঘটুক না কেন কর্মক্ষেত্র বা আবাসিক প্রাঙ্গণে সিএনবি তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে। তিনি আরও বলেন, সিঙ্গাপুরে মাদকের কোনো স্থান নেই এবং যারা মাদক কার্যকলাপে জড়িত থাকবে তাদের আইনি শাস্তির সম্পূর্ণ সম্মুখীন হতে হবে। আমরা আমাদের অভিবাসী শ্রমিকসহ সকলের নিরাপত্তা ও কল্যাণ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং মাদক-সংক্রান্ত হুমকি শনাক্ত করতে বাধা দিতে ও প্রতিরোধ করতে আমাদের আইন প্রয়োগকারী অংশীদারদের সাথে সহযোগিতা অব্যাহত রাখব। ভোরের আকাশ/মো.আ.
১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১:০২ এএম
সিঙ্গাপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৭ বাংলাদেশি আটক
সিঙ্গাপুরে মাদক-সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত সন্দেহে ৭ জন বাংলাদেশিকে আটক করেছে দেশটির সেন্ট্রাল নারকোটিক্স ব্যুরো (সিএনবি)।শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে সিএনবি আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিবাসী শ্রমিকদের বেশ কয়েকটি ডরমিটরিতে গত চার দিন ধরে অভিযান চালায় সেন্ট্রাল নারকোটিক্স ব্যুরো। এই অভিযানের পরই মাদক-সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত সন্দেহে মোট সাতজন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। আটকদের সবার বয়স ২০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। অবৈধ কার্যকলাপ দমনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই বিশেষ অভিযানে সেন্ট্রাল নারকোটিক্স ব্যুরোর সাথে অংশ নেয় সিঙ্গাপুর পুলিশ ফোর্স (এসপিএফ), সিঙ্গাপুর কাস্টমস, হেলথ সায়েন্সেস অথরিটি (এইচএসএ), মিনিস্ট্রি অব ম্যানপাওয়ার এবং ইমিগ্রেশন অ্যান্ড চেকপয়েন্টস অথরিটি (আইসিএ)। জানা যায়, গত সোমবার প্রথমে জুরং ওয়েস্টে অবস্থিত একটি ডরমিটরি থেকে মাদক সেবনের সন্দেহে ২৫ বছর বয়সি একজনকে আটক করা হয়। এরপর মঙ্গলবার সেলেতার এলাকার অন্য একটি ডরমিটরি থেকে আরও দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে একজনের কাছ থেকে স্বল্প পরিমাণে ‘আইস’ এবং বিভিন্ন মাদক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। সবশেষে বৃহস্পতিবার চোয়া চু কাং এলাকার একটি ডরমিটরিতে অভিযানের পর আরও চারজনকে মাদক-সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগে আটক করা হয়। তাদের মধ্যেও একজনের কাছ থেকে স্বল্প পরিমাণে ‘আইস’ এবং বিভিন্ন মাদক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত নভেম্বর মাসে উডল্যান্ডসের একটি অভিবাসী শ্রমিকের ডরমিটরিদতে রাতভর চার ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা অভিযানে একজন বাংলাদেশি ও একজন মিয়ানমারের নাগরিকসহ ১২ জনকে মাদক-সংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এনফোর্সমেন্ট ডিভিশনের ডেপুটি ডিরেক্টর সুপারিনটেনডেন্ট লিম উই বেং জানিয়েছেন, মাদক কার্যকলাপ যেখানেই ঘটুক না কেন কর্মক্ষেত্র বা আবাসিক প্রাঙ্গণে সিএনবি তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে। তিনি আরও বলেন, সিঙ্গাপুরে মাদকের কোনো স্থান নেই এবং যারা মাদক কার্যকলাপে জড়িত থাকবে তাদের আইনি শাস্তির সম্পূর্ণ সম্মুখীন হতে হবে। আমরা আমাদের অভিবাসী শ্রমিকসহ সকলের নিরাপত্তা ও কল্যাণ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং মাদক-সংক্রান্ত হুমকি শনাক্ত করতে বাধা দিতে ও প্রতিরোধ করতে আমাদের আইন প্রয়োগকারী অংশীদারদের সাথে সহযোগিতা অব্যাহত রাখব। ভোরের আকাশ/মো.আ.
১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১:০২ এএম
৫০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১
কক্সবাজারের টেকনাফে মডেল থানা পুলিশের অভিযানে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২ নম্বর বালুখালী ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করে এবং একটি মোটরসাইকেলসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করে।আটক ব্যক্তি হলেন- শেখ শহীদুল ইসলাম সবুজ (২৭)। অভিযানকালে ৫০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বহনে ব্যবহৃত একটি লাগেজ, Yamaha FZ V3 মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।মাদকবিরোধী এই অভিযানের পর আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। টেকনাফ সীমান্তাঞ্চলে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করেছে পুলিশ।ভোরের আকাশ/এসএইচ
১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৩:৪২ এএম
সচিবালয় থেকে ৪ বিক্ষোভকারী আটক
সচিবালয়ে কর্মরত চাকরিজীবীদের ২০ শতাংশ সচিবালয় ভাতার দাবিতে আন্দোলন চলাকালে সেখান থেকে চারজন কর্মচারীকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকাল চারটার দিকে তাদের আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার সানা শামীনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, যারা আইন ভেঙেছে, তাদের মধ্য থেকে বেছে বেছে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, যমুনায় মিছিলি-মিটিংসহ যেকোনো ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।ডিএমপি যুগ্ম কমিশনার জানান, বুধবার (১০ ডিসেম্বর) এবং আজকেও তাদের বার্তা দেওয়া হয়েছে, সচিবালয়ে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে এমন কিছু করবেন না। কিন্তু তারা আইন অমান্য করেছে। আটক হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের একাংশের সভাপতি বাদিউল কবীর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সহ-সভাপতি শাহিন গোলাম রাব্বানী, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিজামুদ্দিন এবং অজ্ঞাত একজন।জানা গেছে, আজ বিকেল ৩টার দিকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মীরা সচিবালয়ের ভেতরে বাদামতলায় একে একে জড়ো হতে থাকেন। বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে পুলিশের বেশকিছু সদস্য আন্দোলনকারীদের সমাবেশস্থলে ঘিরে রাখেন এবং মিছিল বা স্লোগান না দিয়ে শান্তিপূর্ণ অবস্থানের অনুরোধ জানান।এর আগে, বুধবার (১০ ডিসেম্বর) অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে সচিবালয়ে কর্মরতদের ২০ শতাংশ সচিবালয় ভাতা প্রদানের দাবিতে ৬ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।ভোরের আকাশ/এসএইচ
১১ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৫:৫৯ পিএম
নওগাঁয় ১৩০ বস্তা ডিএপি ও ৩০ বস্তা টিএসপি সার আটক
নওগাঁর ধামইরহাটে ১৩০ বস্তা ডিএপি ও ৩০ বস্তা টিএসপি সার আটক করেছে স্থানীয় জনতা।মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার পূর্ব বাজার এলাকার সোনালী ব্যাংকের সামনে থেকে সার বোঝাই একটি ট্রাক আটকে কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় সারের বস্তাগুলো থানায় হস্তান্তর করা হয়।স্থানীয়রা জানান- বিএডিসি ডিলার মেসার্স সরকার ট্রেডার্সের মালিক লিপি রানী সরকার নওগাঁ বিএডিসি গুদাম থেকে বিকেলে সারগুলো নিয়ে রাতে ধামইরহাট এলাকায় আনেন। তবে সারগুলোর বৈধ গন্তব্য ও বিতরণপত্র দেখাতে না পারায় জনতার সন্দেহ আরও বেড়ে যায়। পরে এলাকাবাসী ট্রাকটি থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তারা পুলিশ ও কৃষি বিভাগকে খবর দেন। পরে ধামইরহাট থানা পুলিশ ও উপজেলা কৃষি বিভাগ ঘটনাস্থলে গিয়ে সার, ট্রাক ও চালককে থানায় নিয়ে যায়।এবিষয়ে ধামইরহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ তৌফিক আল জুবায়ের বলেন, ‘সারগুলো থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ডিলারের লাইসেন্স বাতিলসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।’ধামইরহাট থানার ওসি মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ভোরের আকাশ/মো.আ.
১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৩:৪৯ পিএম
সিদ্ধিরগঞ্জে ১০ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
সিদ্ধিরগঞ্জে ১০ হাজার ইয়াবাসহ জিহাদুল ইসলাম (২১) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টা সময় পাইনাদী নতুন মহল্লার শাপলা চত্বরে মাদক বহন করার সময় এ ঘটনা ঘটে।জানা যায়, পাইনাদী নতুন মহল্লার শাপলা চত্বর এলাকায় ইয়াবা চালান বহন করার সময় পথচারীর সঙ্গে ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে ধরা পড়ে গেল বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালান। এসময় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তখন হঠাৎ যুবকের আচরণ অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে। তখন যুবক অস্থিরতায় ব্যাগটি শক্ত করে চেপে ধরে রাখছিলেন। এ সময় আটক হওয়া যুবকের ব্যাগ তল্লাশি করে ১০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে এ ইয়াবা কারবারিকে গ্রেফতার করে।গ্রেফতারকৃত জাহিদুলের বাড়ী কক্সবাজারের টেকনাফ থানার রঙ্গিখালী দক্ষিণ হ্নীলা এলাকার জিয়াউর রহমানের ছেলে। কিছুদিন ধরে তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের পাইনাদী নতুন মহল্লা পিএম মোড় এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, এলাকাবাসীর সন্দেহে ওই যুবককে আটক করা হয়। পরে পুলিশকে খবর দিলে তাকে থানায় নিয়ে আসে। জিজ্ঞাসাবাদে সে ইয়াবা বহনের কথা স্বীকার করেছে। জিহাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।ভোরের আকাশ/মো.আ.
১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২:১৫ পিএম
টেকনাফে মানবপাচারকারী আটক ২
কক্সবাজার টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন মুন্ডার ডেইল ঘাট এলাকায় এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিজিবি ২ জন মানবপাচারকারীকে আটক করেছে এবং ৭ জন ভুক্তভোগীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে। এ অভিযান মানবপাচারের প্রাক্কালে চক্রটির অশুভ উদ্দেশ্য ব্যর্থ করেছে।মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) জানিয়েছে, উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ছেলেমেয়েরা অন্তর্ভুক্ত। অভিযানের নেতৃত্ব দেন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি। তিনি বলেন, “মানবপাচারকারী ও সংঘবদ্ধ অপরাধীদের জন্য টেকনাফ সীমান্তে আর কোনো নিরাপদ জায়গা নেই। আমাদের এই ধারাবাহিক অভিযান মানুষের জীবন রক্ষা এবং অপরাধীদের দমনের স্পষ্ট বার্তা বহন করে।”অভিযানকালে প্রথমে মো. আলম (১৯) আটক করা হয়। পরবর্তীতে চক্রটির আরেক সদস্য ইসমাঈল (২৮) ধরা পড়ে। এদের ছদ্মবেশী আচরণ এবং স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় বিজিবি অভিযানটি সম্পন্ন করে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, পাচারকারীরা ভুক্তভোগীদের লোভনীয় প্রলোভনে ফাঁদে ফেলেছিল। তাদেরকে বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরি, সুবিধাজনক কর্মসংস্থান এবং দ্রুত ধনী হওয়ার স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল।এছাড়া, চক্রটির পলাতক সদস্য ইউসুফ (২২) মালয়েশিয়াতে অবস্থান করছে বলে জানা গেছে। বিজিবি উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগী ও আটককৃতদের প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার পর টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করবে।টেকনাফ ব্যাটালিয়ন মানবপাচার বন্ধে নিয়মিত বিশেষ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে এবং সীমান্তের সব অংশে তৎপর রয়েছে। লেঃ কর্নেল আশিকুর রহমান আরও বলেন, “আমরা মানুষের জীবন রক্ষায় এবং মানবপাচার চক্র দমন করতে সর্বদা কঠোর অবস্থানে আছি।”ভোরের আকাশ/জাআ
০৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:২৭ পিএম
কক্সবাজারে মাদক পাচারকারী তিন নারী আটক
কক্সবাজারে রামুর রেজুখাল চেকপোস্টে সাড়ে পৌণে ছয় হাজারের বেশী ইয়াবাসহ অটোরিকশার যাত্রীবেশী মাদক পাচারকারী তিন নারীকে আটক করেছে বিজিবি।মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের রেজুখাল চেকপোস্টে এ অভিযান চালানো হয় বলে জানান বিজিবির কক্সবাজার ৩৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম।আটকরা হল- টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের কালা মিয়ার মেয়ে রুজেমা খাতুন (৪৫), একই এলাকার আব্দুল গফুরের মেয়ে নূর বেগম (৪৫) ও মৃত শহর মন্ডলের মেয়ে মাহমুদা বেগম (৩০)।লে. কর্নেল খায়রুল আলম বলেন, সকালে রামু রেজুখাল চেকপোস্টে বিজিবির সদস্যরা যানবাহনে নিয়মিত তল্লাশি কার্যক্রম চালাচ্ছিল। এক পর্যায়ে টেকনাফ দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী অটোরিকশা সেখানে এলে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এতে গাড়িতে থাকা ৩ নারী যাত্রীর আচরণ ও কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুঙ্খানুপুঙ্খ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে ওই তিন নারীর দেহ ও সাথে ব্যাগ তল্লাশি চালিয়ে পাওয়া যায় ৫ হাজার ৮০০টি ইয়াবা।আটক নারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে রামু থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানান বিজিবির এ কর্মকর্তা।ভোরের আকাশ/জাআ
০৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৪:৪৪ পিএম
রায়গঞ্জে অবৈধ টপসয়েল কাটায় আটক ৪
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে গভীর রাতে অবৈধভাবে টপসয়েল উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে চারটি ডাম্পার ট্রাকসহ চারজনকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন।রোববার (৭ ডিসেম্বর) গভীর রাতে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫(১) ধারায় দুইজনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড এবং দুইজনকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, ইয়াকুব আলী সেখ ও সিহাব আলী সরকারকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড এবং সুমন মোল্লা ও ইমরান হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা। তিনি বলেন, “পরিবেশ ও কৃষিজমি ধ্বংসকারী অবৈধ টপসয়েল উত্তোলন কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।”সচেতন মহল উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছে।ভোরের আকাশ/এসএইচ
০৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ০২:০০ পিএম
মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্টবোঝাই ৩ ট্রলার জব্দ, আটক ৩০
মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্টবোঝাই তিনটি ট্রলারসহ ৩০ জন মাঝিমাল্লাকে আটক করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।শনিবার (৬ ডিসেম্বর) নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে শুক্রবার রাতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।নৌবাহিনী জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর সোলেমান বাজার, লক্ষীরচর ও সুবর্ণচর এলাকা থেকে সিমেন্টবোঝাই তিনটি ট্রলার মিয়ানমারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সমুদ্রে অবস্থানরত নৌবাহিনীর জাহাজ ও ট্রলারসমূহ সেন্টমার্টিন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় টহল জোরদার করে।শুক্রবার রাতে টহল চলাকালে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ‘প্রত্যাশা’ সন্দেহজনক তিনটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার শনাক্ত করে। এ সময় থামার নির্দেশ দেয়া হলে ট্রলারগুলো পালানোর চেষ্টা করে। পরে নৌবাহিনীর জাহাজ তাৎক্ষণিক ধাওয়া করে ট্রলারগুলোকে আটক করতে সক্ষম হয়।আটক ট্রলারগুলো হলো- এফবি আল্লাহর দান, এফবি আলাউদ্দিন-১ ও এফবি আলাউদ্দিন-২। পরে এসব ট্রলার তল্লাশি করে ১ হাজার ৫৫০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ করা হয়। এ সময় চোরাচালানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ৩০ জন মাঝিমাল্লাকেও আটক করা হয়।নৌবাহিনী আরও জানায়, জব্দ করা ট্রলার, মালামাল ও আটক ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মিয়ানমারে অধিক মূল্যে বিক্রির আশায় এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে এভাবে চোরাচালান কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সমুদ্রসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ, জলদস্যুতা ও চোরাচালান দমনে নৌবাহিনী নিয়মিত টহল অব্যাহত রেখেছে।ভোরের আকাশ/জাআ