শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বের সবচেয়ে বড় আলমারিতে উঠতে লাগে লিফট, আছে বিস্ময়কর ইতিহাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইতিহাসে রাজা-বাদশাদের বিলাসী জীবন যাপনের গল্প নতুন নয়। কিন্তু এমন এক রাজার কথা কি কল্পনা করা যায়, যিনি জীবনে এক পোশাক দ্বিতীয়বার গায়ে তোলেননি? আর এই অবিশ্বাস্য অভ্যাসের সাক্ষী হয়ে আজও ভারতের হায়দরাবাদে দাঁড়িয়ে আছে ১৭৬ ফুট দীর্ঘ এক বিশালাকার কাঠের আলমারি— যা বিশ্বের বৃহত্তম ‘ওয়াক-ইন ক্লোজেট’ হিসেবে স্বীকৃত।

হায়দরাবাদের ষষ্ঠ নিজাম মির মেহবুব আলি খানের এই রাজকীয় সংগ্রহশালাটি বর্তমানে পর্যটকদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। প্রাসাদের অন্দরে লুকিয়ে থাকা ইতিহাসহায়দরাবাদের বিখ্যাত 'পুরানি হাভেলি' প্রাসাদের একটি উইং বা অংশ জুড়ে তৈরি করা হয়েছিল এই সুবিশাল পোশাকের ঘর।

আলমারিটি প্রায় ১৭৬ ফুট লম্বা এবং এটি সম্পূর্ণ দোতলা। তৎকালীন সময়ে বার্মা সেগুন এবং রোজউড কাঠ দিয়ে অত্যন্ত নিখুঁত কারুকার্যে এটি নির্মাণ করা হয়। এই দোতলা আলমারিতে পোশাক রাখার জন্য ১৫০টিরও বেশি বড় প্রকোষ্ঠ বা তাক রয়েছে।

সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো এই আলমারির হাতে চালিত লিফটের প্রযুক্তি, যা ১৮শ বা ১৯শ শতকের প্রযুক্তির কথা মাথায় রাখলে চমকে দেওয়ার মতো।

আলমারিটি এতটাই উঁচু ছিল যে ওপরের তলার প্রকোষ্ঠগুলো থেকে পোশাক নামানোর জন্য একটি বিশেষ যান্ত্রিক ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে একটি হাতে চালিত কাঠের লিফট বসানো ছিল, যার সাহায্যে নিজামের কর্মচারীরা সহজেই ওপরে উঠে পোশাক নিয়ে আসতে পারতেন।

ইতিহাসবিদদের মতে, ১৮৬৯ থেকে ১৯১১ সাল পর্যন্ত হায়দরাবাদ শাসন করা ষষ্ঠ নিজাম মির মেহবুব আলি খান ছিলেন প্রচণ্ড শৌখিন। তিনি অত্যন্ত দামি এবং রাজকীয় পোশাক পরতে ভালোবাসতেন। একবার যে পোশাকটি পরতেন, সেটি আর কোনোদিন দ্বিতীয়বার স্পর্শ করতেন না, যার ফলেই এই সুবিশাল আলমারির প্রয়োজন হয়েছিল। শুধু পোশাকই নয়, তার সিল্কের জুতো, টুপি এবং সুগন্ধির সংগ্রহ রাখার জন্যও এই আলমারিতে আলাদা বিশাল জায়গা বরাদ্দ ছিল।

আরও পড়ুন

ওমরাহ করতে খরচ বাড়ছে? নতুন নিয়মে যা জানাল সৌদি

কালের বিবর্তনে নিজামশাহী রাজত্বের অবসান ঘটলেও এই অনন্য আলমারিটি আজও অক্ষত রয়েছে। বর্তমানে পুরানি হাভেলি প্রাসাদটিকে ‘নিজাম মিউজিয়াম’ হিসেবে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা এই রাজকীয় আলমারিটি দেখে অবাক হন। এটি কেবল একটি আলমারি নয়, বরং ভারতের রাজকীয় অতীত ও তৎকালীন কারিগরি দক্ষতার এক জীবন্ত দলিল।

সূত্র: আনন্দবাজার 

ভোরের আকাশ/এনএস

বিশ্বের সবচেয়ে বড় আলমারি

শেয়ার করুন: