শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের ‘দেশের শত্রু’ ভাবছেন মোদি সরকার: সোনিয়া গান্ধী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ জুলাই ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

চলমান শিক্ষার্থী বিক্ষোভ এবং তা মোকাবিলায় সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেছেন কংগ্রেস সংসদীয় দলের চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী। শুক্রবার (২৪ জুলাই) তিনি অভিযোগ করেন, মোদি সরকার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ‘দেশের শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুতে প্রকাশিত এক নিবন্ধে সোনিয়া গান্ধী বলেন, শিক্ষার্থীরা জবাবদিহিতা এবং শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবি জানিয়েছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের দাবির প্রতি ইতিবাচক মনোভাব দেখানো হয়নি।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা সাহসের সঙ্গে নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। কিন্তু মোদি সরকার সেই সাহসের জবাবে কাপুরুষতা ও উদ্দেশ্যহীন নিষ্ঠুরতা দেখিয়েছে। তাদের ভবিষ্যতের অংশীদার হিসেবে নয়, বরং জাতির শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।’

সোনিয়া গান্ধী দাবি করেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অধীনে থাকা পুলিশ সদস্যদের মাধ্যমে শিক্ষার্থী বিক্ষোভকারীদের ওপর যে ‘নির্মমতা’ চালানো হয়েছে, তা এই সরকারের জন্য নতুন কোনো ঘটনা নয়। তিনি ২০২০ সালের সিএএ-এনআরসি বিরোধী আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পুলিশি অভিযানের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। পাশাপাশি নারী কুস্তিগীরদের আন্দোলনের ঘটনাও উল্লেখ করেন।

কংগ্রেস নেত্রীর ভাষ্য, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষাব্যবস্থার অবনতির প্রতিবাদে সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন জোরালো হয়েছে। গত ২০ জুলাইয়ের ঘটনাকে ‘কলঙ্কজনক দিন’ উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, ওই দিন দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (সিএপিএফ) লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের দমন করেছে।

আরও পড়ুন

বাহরাইন-জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলা

তিনি বলেন, ‘অনেক শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন। এমনকি বাড়ি ফেরার পথেও শিক্ষার্থীরা পুলিশের হামলা থেকে রেহাই পাননি।’ সোনিয়া গান্ধী আরও অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের ওপর পেলেট ব্যবহারের ঘটনাও ঘটেছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। িতিনি বলেন, ‘এসব ঘটনার ভিডিও আমাদের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। এখন স্পষ্টভাবে বলার সময় এসেছে—থামুন, এরা আমাদেরই সন্তান, আমাদেরই তরুণ প্রজন্ম।’

ভারতের শিক্ষাব্যবস্থাকে অবমূল্যায়নের অভিযোগ তুলে সোনিয়া গান্ধী বলেন, শিক্ষার্থীরা সরকারের নীতির অসঙ্গতি তুলে ধরেছে। তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা নৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব। সূত্র: এনডিটিভি

ভোরের আকাশ/সু.পা

দিল্লি রাজিনীতি

শেয়ার করুন: