শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে অত্যন্ত কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে মাত্র এক দিনেই ইরানকে পুরোপুরি বিপর্যস্ত করে দিতে পারে।

ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অবরোধের পক্ষে যুক্তি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোন জাহাজ যাতায়াত করবে তা ইরান নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তিনি ঘোষণা করেন, হয় প্রতিটি জাহাজ সেখানে নিরাপদ চলাচলের সুবিধা পাবে, অন্যথায় কোনো জাহাজকেই চলতে দেওয়া হবে না।

ইরানের তেল বিক্রির পথ বন্ধ করার বিষয়ে অনড় অবস্থান জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরান তাদের পছন্দমতো দেশগুলোর কাছে তেল বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করবে, তা কোনোভাবেই হতে দেওয়া হবে না। এই অবরোধকে তিনি ভেনেজুয়েলার ওপর আরোপিত অবরোধের সঙ্গে তুলনা করেন, তবে তা আরও ব্যাপক পরিসরে হবে বলে ইঙ্গিত দেন।

ট্রাম্পের মতে, এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন তেলের চাহিদা বাড়বে এবং আরও বেশি তেলের ট্যাঙ্কার যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল কিনতে আসবে। 

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ অন্যান্য বেসামরিক জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করার হুমকিও পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, এক দিনের মধ্যেই তিনি ইরানের সমস্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং সামগ্রিক জ্বালানি ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়ার সক্ষমতা রাখেন। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব খর্ব করতে এবং দেশটির অর্থনীতিকে চাপে ফেলতেই ট্রাম্প এমন আগ্রাসী নীতি গ্রহণের কথা জানিয়েছেন। সূত্র: আলজাজিরা।

ভোরের আকাশ/নি

ইরান

শেয়ার করুন: