শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চীনে বনায়ন প্রকল্পের ৩৩ শ্রমিক মাটিচাপা, ২১ মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ জুলাই ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

চীনের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ গানসুতে ভূমিধসে মাটিচাপা পড়েছেন ৩৩ জন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত ২১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ৫৬ মিনিটে প্রদেশের দ্যাংচ্যাং জেলার রেনসাং গ্রামে এই ভূমিধস ঘটে।

চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদসংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, গানসু প্রদেশের ওই অঞ্চলটি পাহাড়ি এবং বৃষ্টি ও অন্যান্য কারণে ভূমিক্ষয় রোধে প্রাদেশিক সরকারের উদ্যোগে সেখানে বনায়ন প্রকল্পের কাজ চলছিল। ভূমিধসের শিকার ৩৩ জনের সবাই প্রকল্পে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। এমনকি তারা কেউ রেনসাং গ্রামের বাসিন্দাও ছিলেন না।

ভূমিধসের অল্প সময়ের মধ্যেই দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে তৎপরতা শুরু করেন। এখনও উদ্ধারকাজ চলছে বলে জানিয়েছে সিনহুয়া।

গ্রীষ্মকালে চীনের বিভিন্ন প্রদেশ ও অঞ্চলে ব্যাপকমাত্রায় ভারী বর্ষণ এবং ঘূর্ণিঝড় হয়। এ কারণে প্রায় প্রতিবছরই দেশটিতে এক বা একাধিক ভূমিধসের ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার গানসুতে যে ভূমিধস হয়েছে, তারও প্রধান কারণ ভারী বর্ষণ এবং সম্প্রতি দক্ষিণ ও মধ্যচীনে ব্যাপক ঝড়বৃষ্টির প্রভাবেই বর্ষণ শুরু হয়েছিল গানসুতে। গত কয়েক দিনে ঝড়-বৃষ্টি এবং এবং তার ফলে বাড়ির দেওয়াল, ছাদ ধস এবং আকস্মিক বন্যায় দক্ষিণ এবং মধ্যচীনের প্রদেশগুলোতে ১৭ জনের প্রাণহানি হয়েছে।

আরও পড়ুন

১৭ বছর পর মিশরের গিজায় গাইবেন শাকিরা

চীনের উত্তরাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে ঝড়-বৃষ্টি। এতে দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন কমপক্ষে ১৬ হাজার ৬০০ জন মানুষ। এক প্রতিবেদনে সিনহুয়া জানিয়েছে, ঝড়-বৃষ্টি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দুর্যোগে হুবেই প্রদেশে আহত হয়েছেন ৩৩০ জনেরও বেশি মানুষ এবং একজন নিখোঁজ অবস্থায় আছেন। 

এছাড়া আকস্মিক বন্যার কারণে প্রদেশের অন্তত ২০টি বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং ৪ হাজার ৮০০টি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দুর্যোগ কবলিত এলাকাগুলোতে সর্বোচ্চ মাত্রায় উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন। সূত্র : রয়টার্স, সিএনএ

ভোরের আকাশ/সু.পা

শ্রমিক মাটিচাপা

শেয়ার করুন: