শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসী নীতি ‘ভয়াবহ পরাজয়ে পড়েছে’: রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ এপ্রিল ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ‘একপাক্ষিক, আগ্রাসী ও উসকানিমূলক’ হামলার নীতি শেষ পর্যন্ত ‘ভয়াবহ পরাজয়ের’ মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছে রাশিয়া। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির পর আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) এমন মন্তব্য করেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা।

রুশ গণমাধ্যম স্পুটনিক রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগ্রাসী অবস্থান নেওয়া, শক্তি প্রদর্শন এবং ‘বিজয় খুব কাছেই’—এ ধরনের বক্তব্য শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে।

জাখারোভা বলেন, ‘এই একপাক্ষিক, আগ্রাসী ও বিনা উসকানির হামলার কৌশল ভয়াবহভাবে ব্যর্থ হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, শুরু থেকেই রাশিয়া ইরানের বিরুদ্ধে চলমান ‘আগ্রাসন’ অবিলম্বে বন্ধ করে একটি বাস্তব রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়ে আসছে। এ সংকটের কোনো সামরিক সমাধান নেই বলেও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার ঘোষণা দেন, ইরানের বিরুদ্ধে বোমা হামলা ও সামরিক অভিযান দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ ১ হাজার ৩৪০ জনের বেশি নিহত হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

এর জবাবে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যার লক্ষ্য ছিল ইসরায়েল ছাড়াও জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলো। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করে তেহরান।

ভোরের আকাশ/আ.র

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তি

শেয়ার করুন: